সঞ্জয় সরকার, গুয়াহাটি: রাতের দিকে ঝপ করে পড়ছে তাপমাত্রা। সঙ্গী ঝোড়ো বাতাস। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার বলে কথা। জানুয়ারির মাঝামাঝি তো এমনটাই স্বাভাবিক। কলকাতা ডার্বিও সেই আবহাওয়ায় বিন্দুমাত্র বদল আনতে ব্যর্থ। গুয়াহাটিতে বাঙালির সংখ্যা নেহাতই কম নয়। কিন্তু মোহন বাগান-ইস্ট বেঙ্গলের মহাম্যাচ তাঁদের উষ্ণতার পরশ দিতে পারেনি। অতীতে লাজং এফসি এবং বর্তমানে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ঘিরেই স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীদের কিঞ্চিৎ আবেগ। ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগে ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়াম চত্বরে তেমনই কয়েকজনকে দেখা গেল। কাছাকাছি চায়ের দোকান কিংবা হোটেলে বাঙালি দেখলেই প্রশ্ন ভেসে আসছে, ‘কামাখ্যায় পুজো দিতে এসেছেন বুঝি? নাকি বিজনেস ট্যুর?’ অর্থাৎ, ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ নিয়ে কারও বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই।
Advertisement
শনিবার ম্যাচের আগে অবশ্য কলকাতা থেকে আসা সমর্থকরা মরা গাঙে ঢেউ তোলার চেষ্টা করবেন। কিন্তু তা গ্যালারি ভরানোর জন্য যথেষ্ট নয়। তবে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে নারাজ শতাব্দীপ্রাচীন দুই ক্লাব। সন্ধ্যায় ও রাতে হোটেলে ঢোকার মুহূর্তে দুই শিবিরের ফুটবলাররাই যথেষ্ট সিরিয়াস। সাম্প্রতিক অতীতে মহাম্যাচে দাপট দেখিয়েছে মোহন বাগান। পরিসংখ্যান বলছে, আইএসএলের ইতিহাসে তারা কখনও ডার্বি হারেনি। বিরাট বড় অঘটন না ঘটলে শনিবার ব্রহ্মপুত্রের তীরে সেই ধারা বদলের সম্ভাবনা কম। কিন্তু সহজে হাল ছাড়তে নারাজ ইস্ট বেঙ্গল।
শেষ পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে দু’টিতে জিতেছে ইস্ট বেঙ্গল। অর্থাৎ, লাল-হলুদের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। দুই স্টপার হেক্টর ইউস্তে এবং হিজাজি মাহের মাঝেমধ্যেই বিরাট ভুল করছেন। তাই তাঁদের চাপ কমানোর জন্য শনিবার ডাবল ডিফেন্সিভ মিডিওয় দল সাজাবেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। আর দিমিত্রিয়াস, ক্লেটন ও বিষ্ণু জ্বলে উঠতে পারলে মোহন বাগানকে অবশ্যই চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দেবে।
হোসে মোলিনার দল যথেষ্ট সংঘবদ্ধ। সবচেয়ে বড় কথা, ম্যাচ উইনারের সংখ্যা বেশি। ম্যাকলারেন, কামিংস, স্টুয়ার্ট, পেত্রাতোসরা নিজের দিনে বিপক্ষকে কাঁদিয়ে দিতে পারেন। আর মনবীর ও লিস্টনের দুরন্ত উইং প্লে শনিবারের ম্যাচে বড় ভূমিকা নিতে পারে। তাই মোহন বাগানকে ডানা ঝাপটানোর সুযোগ দিতে নারাজ ইস্ট বেঙ্গল। প্রয়োজনে ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ ফুটবল খেলতে তৈরি অস্কার ব্রুজোঁর দল। কলকাতায় শেষ মহড়ার পরেও প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছেন দুই কোচ।
২০০৯-১০ মরশুমে ফেডারেশন কাপের সেমি-ফাইনালে এখানেই মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতার দুই প্রধান। তবে ইন্দিরা গান্ধী নয়, নেহরু স্টেডিয়ামে। সেই ম্যাচেও অবিসংবাদিত ফেভারিট ছিল করিম বেঞ্চারিফার মোহন বাগান। কিন্তু বছরের শেষ দিনে ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটায় রাইডার-ব্রিগেড। শনিবারও তেমনই অঘটনের আশায় বুক বাঁধছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
শেষ পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে দু’টিতে জিতেছে ইস্ট বেঙ্গল। অর্থাৎ, লাল-হলুদের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। দুই স্টপার হেক্টর ইউস্তে এবং হিজাজি মাহের মাঝেমধ্যেই বিরাট ভুল করছেন। তাই তাঁদের চাপ কমানোর জন্য শনিবার ডাবল ডিফেন্সিভ মিডিওয় দল সাজাবেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। আর দিমিত্রিয়াস, ক্লেটন ও বিষ্ণু জ্বলে উঠতে পারলে মোহন বাগানকে অবশ্যই চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দেবে।
হোসে মোলিনার দল যথেষ্ট সংঘবদ্ধ। সবচেয়ে বড় কথা, ম্যাচ উইনারের সংখ্যা বেশি। ম্যাকলারেন, কামিংস, স্টুয়ার্ট, পেত্রাতোসরা নিজের দিনে বিপক্ষকে কাঁদিয়ে দিতে পারেন। আর মনবীর ও লিস্টনের দুরন্ত উইং প্লে শনিবারের ম্যাচে বড় ভূমিকা নিতে পারে। তাই মোহন বাগানকে ডানা ঝাপটানোর সুযোগ দিতে নারাজ ইস্ট বেঙ্গল। প্রয়োজনে ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ ফুটবল খেলতে তৈরি অস্কার ব্রুজোঁর দল। কলকাতায় শেষ মহড়ার পরেও প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছেন দুই কোচ।
২০০৯-১০ মরশুমে ফেডারেশন কাপের সেমি-ফাইনালে এখানেই মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতার দুই প্রধান। তবে ইন্দিরা গান্ধী নয়, নেহরু স্টেডিয়ামে। সেই ম্যাচেও অবিসংবাদিত ফেভারিট ছিল করিম বেঞ্চারিফার মোহন বাগান। কিন্তু বছরের শেষ দিনে ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটায় রাইডার-ব্রিগেড। শনিবারও তেমনই অঘটনের আশায় বুক বাঁধছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।



