কিভ, ২০ নভেম্বর: ইউক্রেন বনাম রাশিয়ার যুদ্ধ এক হাজার দিনে পা দিতেই উত্তেজনা বাড়ল। গতকাল, মঙ্গলবার আমেরিকার সরবরাহ করা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ায় উপর হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। রাশিয়ার অভিযোগ, ব্রায়ানস্ক সীমান্তে সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইউক্রেনের সেনা। জবাবে মস্কো হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে এভাবে যদি আমেরিকার অস্ত্র ব্যবহার করে তাদের উপর হামলা চালানো হয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এই সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়েছে বলে ধরা হবে। সেক্ষেত্রে উপযুক্ত জবাব পাবে আমেরিকাও। কিছুদিন আগেই খবর পাওয়া যায়, ইউক্রেনে বিশেষ ধরণের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছে আমেরিকা। তারপরেই যুদ্ধের গতি বাড়াতে দেখা যায় কিভকে। এদিকে, হাত গুটিয়ে বসে থাকছে না মস্কোও। গতকাল, মঙ্গলবারই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের নীতিতে পরিবর্তন এনেছে রাশিয়া। এবার থেকে পরমাণু শক্তিধর দেশ না হলেও সেখানে এই মারণঅস্ত্র প্রয়োগ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে মস্কো। যার ফলে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহে ইউক্রেনের কিভে দূতাবাস আপাতত বন্ধ রাখারই সিদ্ধান্ত নিল আমেরিকা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, আজ, বুধবারই কিভে আকাশপথে হামলা চালাতে পারে রাশিয়া। সেই কারণেই নিজেদের দূতাবাস আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই সঙ্গে দূতাবাসের কর্মচারীদের নিরাপদ স্থানে যেতে ও ইউক্রেনে অবস্থিত মার্কিন নাগরিকদের সাবধান থাকতেও নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন। এমনকী প্রয়োজন ছাড়া ইউক্রেনের অন্য কোনও শহরে যাতায়াত করতেও মার্কিন নাগরিকদের নিষেধ করেছে আমেরিকা। মস্কো ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টা খুব শীঘ্রই জবাব দেবে তারা। গোয়েন্দা সূত্রে আমেরিকা জানতে পেরেছে, আজই কিভে বড়ধরণের হামলা চালাতে পারে রাশিয়া। তাই সতর্ক থাকছে পেন্টাগন।



