সিঙ্গাপুর: মঞ্চ থেকে নেমেই বিশ্বসেরার ট্রফি বাবার হাতে তুলে দিলেন ডি গুকেশ। এরপর তা পৌঁছল মায়ের হাতে। ছেলের ঐতিহাসিক সাফল্যে বিভোর পদ্মাকুমারী। অভিব্যক্তিতে গর্ব মিশেছে আনন্দের সঙ্গে। আলতো চুমু খেলেন ট্রফিতে। ক্যামেরাবন্দি সেই মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল।
Advertisement
বৃহস্পতিবার অবশ্য সিঙ্গাপুরে উপস্থিত ছিলেন না পদ্মাকুমারী। চেন্নাইয়ের বাড়িতে তখন তাঁর সঙ্গী এক আকাশ টেনশন। ছেলের জন্য শুধুই প্রার্থনা করে গিয়েছেন। গুকেশের কাকিমার থেকে বিশ্বজয়ের খবর পেয়ে আবেগ চেপে রাখতে পারেননি তিনি। তাঁর কথায়, ‘আনন্দে দশ মিনিট শুধু কেঁদেছিলাম। ও দেশের নাম উজ্জ্বল করছে। আমাদের যাবতীয় আত্মত্যাগ সার্থক হল। ছেলের পাশে থাকতে ওর বাবা ডাক্তারি পর্যন্ত ছেড়ে দেয়। তবে কঠিন সময়ে আত্মীয়স্বজনরা যথেষ্ট সাহায্য করেছে। প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’ ছেলের হাতে ট্রফি ওঠার সাক্ষী থাকতে শুক্রবারই সিঙ্গাপুরে পৌঁছান পদ্মাকুমারী।
এদিকে, গুকেশকে প্রশংসায় ভরিয়েছেন প্যাডি আপটনও। দাবা বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় তরুণের মেন্টাল কন্ডিশনিং কোচ বলেন, ‘গুকেশকে নিয়ে খুব বেশি খাটতে হয়নি। মানসিক দৃঢ়তা ওর যথেষ্ট। ভবিষ্যতে অনেক মুকুটই গুকেশের জন্য অপেক্ষা করছে।’ উল্লেখ্য, বিশ্বখেতাব জয়ের সুবাদে প্রায় সাড়ে এগারো কোটি টাকা পুরস্কার পেলেন ডি গুকেশ। এছাড়া তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনও ৫ কোটি টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করেছেন।
এদিকে, গুকেশকে প্রশংসায় ভরিয়েছেন প্যাডি আপটনও। দাবা বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় তরুণের মেন্টাল কন্ডিশনিং কোচ বলেন, ‘গুকেশকে নিয়ে খুব বেশি খাটতে হয়নি। মানসিক দৃঢ়তা ওর যথেষ্ট। ভবিষ্যতে অনেক মুকুটই গুকেশের জন্য অপেক্ষা করছে।’ উল্লেখ্য, বিশ্বখেতাব জয়ের সুবাদে প্রায় সাড়ে এগারো কোটি টাকা পুরস্কার পেলেন ডি গুকেশ। এছাড়া তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনও ৫ কোটি টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করেছেন।



