শিশির ঘোষ: ভোম্বলদা (সুভাষ ভৌমিক) প্রায়শই একটা কথা বলতেন, ‘চললে পঞ্চানন, না চললেই পাঁচু।’ মঙ্গলবার চেন্নাইয়ান এফসি’র বিরুদ্ধে ম্যাচে মোহন বাগানের খেলা দেখতে দেখতে সেটাই মনে হচ্ছিল। হঠাৎই প্রথম একাদশে একসঙ্গে একাধিক পরিবর্তন করে কোচ হোসে মোলিনা যে ফাটকা খেলতে চেয়েছিলেন, তা ধোপে টেকেনি। জামশেদপুর ম্যাচের পরই বলেছিলাম, মোহন বাগান এভাবে পয়েন্ট নষ্ট করলে চ্যাম্পিয়নশিপের পথ ক্রমশ কঠিন হবে। মঙ্গলবারের পর সেটা আরও জোরালো হল। আসলে শেষ কয়েকটি ম্যাচ দেখে বারবার মনে হচ্ছে, দলটা আত্মতুষ্টিতে ভুগচ্ছে। কোচ মোলিনা হয়তো বোঝাতে চেয়েছিলেন, তাঁর রিজার্ভ বেঞ্চ সমান শক্তিশালী। মঙ্গলবার জিতে গেলে এই সিদ্ধান্তটাই তখন প্রশংসা কুড়িয়ে নিত। তবে সুহেল ভাট-অভিষেক সূর্যবংশীরা যে এখনও আইএসএলে খেলার জন্য পরিণত নয়, তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। তা সত্ত্বেও মনবীর, লিস্টনদের বেঞ্চে রেখে দল সাজানোর ঝুঁকি নেন মোলিনা। ভেবেছিলেন, শুরুতে দল গোল না পেলে কামিংস-ম্যাকলারেনদের এনে শেষ ল্যাপে বাজিমাত করবেন। তবে এই স্প্যানিয়ার্ডের বোঝা উচিত, ‘এভরিডে ইজ নট সানডে’।
Advertisement
ম্যাচ জেতার জন্য স্ট্রাইকারদের নিয়মিত গোল করতে হয়। তবে চলতি মরশুমে মোহন বাগানের আপফ্রন্টে সেভাবে কেউই সেই ধারাবাহিকতা দেখাতে ব্যর্থ। জেমি ম্যাকলারেন কি শুধুই বড় ম্যাচে গোল করবে বলে সই করেছে? বাকি ম্যাচে খেলার জন্য সে কি টাকা পায় না? আসলে এখনকার ফুটবলাররা দিনের পর দিন খারাপ খেললেও তাদের পাল্টা প্রশ্ন করার কেউ নেই। ফলে ড্র করেও কানে হেডফোন লাগিয়ে হেলতে দুলতে মাঠ ছাড়ে তারা।
এবার সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে দিমিত্রি। মরশুমের তিন ভাগের দু’ভাগ কেটে গেল, এখনও সে নিজেকে ম্যাচ ফিট করে তুলতে ব্যর্থ। অথচ ওর সঙ্গে হোসে র্যামিরেজ ব্যারেটোর তুলনা করা হচ্ছিল। জানি না, কে বা কারা এটা করেছে। তবে মাত্র দু’টি মরশুম ভালো খেলে কেউ ব্যারেটো হয়ে গেলে খুব মুশকিল। দুই মরশুমে আইএসএলে দিমিত্রির গোল সংখ্যা ২২। অর্থাৎ গড়ে ১১টি করে। ব্যারেটো মোহন বাগান জার্সিতে গড়ে ২৫ থেকে ৩০টি গোল করেছে। ম্যাচ খেলেছে ওর দ্বিগুণ। তাই ওর সঙ্গে পেত্রাতোসের তুলনা করে লাভ নেই। স্টার প্লেয়ার এমনি এমনি হওয়া যাওয়া না। তারজন্য ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে হয়। দিমিত্রির যা অবস্থা, তাতে ওর জার্সির পিছনে কেউ স্টার এঁকে তারপর প্লেয়ার লিখে দিক। তবেই ওকে স্টার প্লেয়ার বলে মনে হবে। পারফরম্যান্স তো পরের কথা, আগে নিজেকে ম্যাচ ফিট করে তুলুক ও।
এবার সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে দিমিত্রি। মরশুমের তিন ভাগের দু’ভাগ কেটে গেল, এখনও সে নিজেকে ম্যাচ ফিট করে তুলতে ব্যর্থ। অথচ ওর সঙ্গে হোসে র্যামিরেজ ব্যারেটোর তুলনা করা হচ্ছিল। জানি না, কে বা কারা এটা করেছে। তবে মাত্র দু’টি মরশুম ভালো খেলে কেউ ব্যারেটো হয়ে গেলে খুব মুশকিল। দুই মরশুমে আইএসএলে দিমিত্রির গোল সংখ্যা ২২। অর্থাৎ গড়ে ১১টি করে। ব্যারেটো মোহন বাগান জার্সিতে গড়ে ২৫ থেকে ৩০টি গোল করেছে। ম্যাচ খেলেছে ওর দ্বিগুণ। তাই ওর সঙ্গে পেত্রাতোসের তুলনা করে লাভ নেই। স্টার প্লেয়ার এমনি এমনি হওয়া যাওয়া না। তারজন্য ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে হয়। দিমিত্রির যা অবস্থা, তাতে ওর জার্সির পিছনে কেউ স্টার এঁকে তারপর প্লেয়ার লিখে দিক। তবেই ওকে স্টার প্লেয়ার বলে মনে হবে। পারফরম্যান্স তো পরের কথা, আগে নিজেকে ম্যাচ ফিট করে তুলুক ও।



