মাদ্রিদ: লা লিগায় শেষ তিনটি মাদ্রিদ ডার্বি ১-১ ড্র হয়েছিল। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে রিয়াল মাদ্রিদের জ্বলে ওঠা যে পুরনো অভ্যাস! সেই ধারা বজায় রেখে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে আতলেতিকোকে ২-১ ব্যবধানে বশ মানিয়েছে কার্লো আনসেলোত্তির দল। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রডরিগোর গোলে লিড নেয় রিয়াল। এরপর ম্যাচে সমতা ফেরান জুলিয়ান আলভারেজ। কিন্তু ব্রাহিম ডিয়াজের লক্ষ্যভেদ রিয়ালকে জয়ের কড়ি জোগাড় করে দেয়। আগামী ১৩ মার্চ মেট্রোপলিটানোতে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগ।
Advertisement
মঙ্গলবার ম্যাচের সূচনা হয়েছিল রডরিগোর চোখধাঁধানো গোলে। চতুর্থ মিনিটে ফেডেরিকো ভালভার্দের ডিফেন্স চেরা থ্রু ধরে ডানদিক বরাবর গতির বিস্ফোরণে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে বশ মানান ব্রাজিলিয়ান তরুণ উইঙ্গার। তারপর কাট করে ঢুকে বাঁ পায়ের গোলার মতো শটে জাল কাঁপান তিনি (১-০)। প্রতিপক্ষ লিড নেওয়ার পর পাল্ট চাপ দেয় আতলেতিকোও। ৩২ মিনিটে রডরিগোর থেকেও দৃষ্টিনন্দন গোলে সিমোনে-ব্রিগেডকে সমতায় ফেরালেন জুলিয়ান আলভারেজ। এডুয়ার্ড কামাভিঙ্গাকে কাটিয়ে বাঁ দিক থেকে বক্সে ঢুকে পড়েন আর্জেন্তাইন ফরোয়ার্ড। তারপরই ঝলসে ওঠে তাঁর ডান পা। রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া পুরো শরীর ছুঁড়েও সোয়ার্ভিং শটের নাগাল পাননি (১-১)। ৫৩ মিনিটে বক্সে ফাঁকায় বল পেয়েও লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ রডরিগো ডে পল। তার দু’মিনিট পরেই একক নৈপুণ্যে জাল কাঁপিয়ে রিয়ালকে এগিয়ে দেন ব্রাহিম ডিয়াজ। মেন্ডির ছোট পাস ধরে বাঁ দিক থেকে বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষের দু’জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁক খাওয়ানো শটে গোলরক্ষক ওবলাককে পরাস্ত করেন মরক্কান মিডিও (২-১)। তবে এই গোল নিয়ে বিতর্কেরও জন্ম নিয়েছে। ব্রাহিমের শট নেওয়ার সময় অফসাইড পজিশনে ছিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি বলে পা না ছোঁয়ালেও গোলরক্ষককের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে অ্যাওয়ে ম্যাচে পিএসভি’কে ৭-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে আর্সেনাল। মিকেল আর্তেতার দলের হয়ে স্কোরশিটে নাম তুলেছেন যথাক্রমে টিম্বার, এথান, মেরিনো, ওডেগার্ড (২), ট্রসার্ড ও ক্যালাফিওরি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে অ্যাওয়ে ম্যাচে পিএসভি’কে ৭-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে আর্সেনাল। মিকেল আর্তেতার দলের হয়ে স্কোরশিটে নাম তুলেছেন যথাক্রমে টিম্বার, এথান, মেরিনো, ওডেগার্ড (২), ট্রসার্ড ও ক্যালাফিওরি।
রিয়াল-২ (রডরিগো, ডিয়াজ) : আতলেতিকো-১ (আলভারেজ)



