সেঞ্চুরিয়ন: ‘বিন্দাস খেলনা।’ সেঞ্চুরিয়নে ব্যাট করতে নামার আগে তিলক ভার্মার পিঠ চাপড়ে দিয়েছিলেন ভিভিএস লক্ষ্ণণ। বুধবার প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে দুরন্ত সেঞ্চুরির পর টিম ম্যানেজমেন্টের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তরুণ বাঁহাতি ব্যাটার। তাঁর গলায় টিম স্পিরিটের জয়ধ্বনি। টি-২০ ফরম্যাটে প্রথম সেঞ্চুরির পর কার দিকে উড়ন্ত চুম্বন ছুড়ে দিলেন তিলক? তা নিয়ে সোশ্যাল সাইটে দিনভর চর্চা। রহস্য ভেঙে তিনি জানিয়েছেন, এই চুম্বন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের প্রাপ্য। আসলে তিন নম্বরে ব্যাট করতেই সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ হায়দরাবাদি ক্রিকেটার। সেটা জেনেই তিলককে ওয়ান ডাউন ব্যাট করতে পাঠান অধিনায়ক। বাকিটা ইতিহাস। ঝকঝকে শতরানে নায়কের মর্যাদা পাচ্ছেন তিলক।
Advertisement
মাত্র ৫১ বলে ঝোড়ো সেঞ্চুরি। তার মধ্যে শেষ ৫০ রান আসে মাত্র ১৯ বলে। ঝকঝকে ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কা। ম্যাচের পর তিলক বলেন, ‘তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেওয়ার জন্য সূর্যকে ধন্যবাদ। প্রতিটি মুহূর্তে পাশে থেকেছে সতীর্থরা।’ অভিষেক শর্মার সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ১০৭ রান যোগ করেছেন তিলক। সঙ্গীকে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি তিনি। অথচ গত আইপিএল মোটেও ভালো কাটেনি তিলকের। আঙুলের চোট রীতিমতো ভোগাচ্ছিল তাঁকে। সেই কারণে জিম্বাবোয়ে এবং শ্রীলঙ্কা সফরের দল থেকেও ছিটকে যান তিনি। এবিষয়ে তিলকের মন্তব্য, ‘খারাপ সময় কাটিয়ে রানে ফিরতে মরিয়া ছিলাম। সেঞ্চুরিয়নে ব্যাটে-বলে দারুণ সংযোগ হয়েছে। এই ছন্দ ধরে রাখতে হবে।’ ব্যাটের পাশাপাশি তিলকের স্পিনের হাতও মন্দ নয়। দলে জায়গা পাকা করতে গেলে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স জরুরি। নিজেকে অলরাউন্ডার হিসেবে মেলে ধরতে পারলে পায়ের নীচের জমি শক্ত হবে। সেটা বুঝেই নেটে বাড়তি বোলিং করতে চান তিনি।



