নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দৈনন্দিন জীবনে মহিলারা খুশি থাকেন কীসে? সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা বলছে, সুরক্ষা ও নিরাপত্তাই সবচেয়ে ভালো রাখে মহিলাদের। পাশাপাশি, পরিবারকে যাঁরা আগলে রাখেন এবং পরিবারও যাঁদের আগলে রাখে, সেই মহিলারা জানিয়েছেন, তাঁদের আনন্দে থাকার চাকিাঠিটি লুকিয়ে আছে পরিবারেই।
মহিলাদের খুশির কারণ কী কী হতে পারে, তার উপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ৪০ শতাংশ নারী পরিবারকেই তাঁদের আনন্দে থাকার কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। সুখী গৃহকোণেই তাঁরা ভালো থাকার পরিসর খুঁজে পান। ১৪ শতাংশ মহিলা দাবি করেছেন, তাঁরা শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে মনের দিক থেকেও ঝরঝরে থাকেন তাঁরা। অর্থাৎ, তাঁদের কাছে সুস্থ থাকাই আনন্দে থাকার মূল রসায়ন। ৮ শতাংশ নারীর দাবি, মানসিকভাবে খুশি থাকলেই তাঁরা সন্তুষ্ট। অর্থাৎ কোনও ছোটখাটো বিষয়েই মনের আনন্দ খুঁজে পান তাঁরা। বাদবাকি ৩৮ শতাংশের দাবি, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত নানা দিক তাঁদের ভালো থাকাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
সমীক্ষাটি দাবি করেছে, এর পাশাপাশি নিজের ভালো থাকার জন্য সুরক্ষাকেই বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান মহিলারা। ৯৫ শতাংশ মহিলা এ বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন। আধুনিক নারীরা এক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সুরক্ষাকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন। তা হতে পারে স্মার্ট হোম ক্যামেরা বা বাড়িতে বসানো লকার বা উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর দরজা। নারীদের কথায়, বেঁচে থাকাটাই এখন যেভাবে প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়ছে, তাতে আত্মসুরক্ষার চিরাচরিত ধারণাগুলিও বদলে যাচ্ছে। আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা যতটা জরুরি, নিজের বাড়ি বা কর্মস্থলের সুরক্ষাও ততটাই প্রয়োজনীয়। তার জন্য প্রযুক্তির উপর ভরসা করতে পিছপা হচ্ছেন না তাঁরা। তাঁদের কথায়, আতঙ্ক জিইয়ে থাকলে ফুরফুরে মনে বাঁচা যায় না।