নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: কোনওরকমে দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে অসীম মণ্ডল, বিল্লাল শেখ, মানিক রজকরা। তাদের কেউ খুন, ধর্ষণ বা চুরি ডাকাতির সাজায় জেলবন্দি। বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে কেউ কেউ যাবজ্জীবন সাজা খাটছে। তারাই এবার নিজেদের হাতেই প্রতিমা গড়ে বাগ্দেবীর আরাধনায় মেতেছে। প্রতিবারের মতো এবারও সরস্বতী পুজো হচ্ছে বহরমপুর সংশোধনাগারের রিক্রিয়েশন ক্লাবে।
Advertisement
অসীম, বিল্লাল, মানিক ও রাজেশরা এবার ধুমধাম করে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করেছে। দুই সপ্তাহ আগে থেকে নিজে হাতেই প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করে তারা। পুজোয় এবার থিমের ছোঁয়া। থিম বলতে ‘সম্প্রীতির সরস্বতী’। বিল্লালদের সঙ্গে পুজো-আনন্দে শামিল সব জেলবন্দি।
সংশোধনাগারে থেকে ক্রমেই মানসিক পরিবর্তন ঘটছে দাগি আসামিদের। তাই, খুব সহজেই জেল হেফাজতের বাইরে ছেড়ে দেওয়া হয় খুনিদের। কেউ পালিয়ে যায় না। জেলের বাইরে পুজোর আয়োজনের কাজ করে। তারপর ফের জেলে ফিরে যায়। রবিবার সকাল থেকে সেই বন্দিরা নিজের হাতে প্রতিমাকে সাজিয়ে তুলেছে। পরিস্কার জামাকাপড় পরে বাগদেবীর সামনে জোড়হাতে বসে প্রার্থনা করেছে সকলেই।
বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের সুপার দীপককুমার সার্কি এই পুজো কমিটির সভাপতি। তিনি নিজেই গোটা বিষয়টি তদারকি করেছেন। জেল পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের বন্দি বিল্লাল শেখ আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করত। ও যে এত সুন্দর প্রতিমা বানাতে পারবে, সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। এছাড়া মানিক একজন মালি। ফুলবাগান পরিচর্যা করে। সেও প্রতিমার কাজে হাত লাগিয়েছে। তবে মূল কারিগর বিল্লাল শেখের হাতের তৈরি প্রতিমা এবার ‘সম্প্রীতির সরস্বতী’ হিসেবে শোভা পাবে মণ্ডপে। জেল পুলিশের রিক্রিয়েশন ক্লাবের এক পুজো উদ্যোক্তা বলেন, বেশ বড় করেই পুজো হচ্ছে। এবার ৩০ হাজার টাকার বাজেটের সরস্বতী পুজো আমাদের। পুলিস কর্মীরা নিজেরাই সব চাঁদা দিয়ে এই পুজো পরিচালনা করছেন।
সংশোধনাগারে থেকে ক্রমেই মানসিক পরিবর্তন ঘটছে দাগি আসামিদের। তাই, খুব সহজেই জেল হেফাজতের বাইরে ছেড়ে দেওয়া হয় খুনিদের। কেউ পালিয়ে যায় না। জেলের বাইরে পুজোর আয়োজনের কাজ করে। তারপর ফের জেলে ফিরে যায়। রবিবার সকাল থেকে সেই বন্দিরা নিজের হাতে প্রতিমাকে সাজিয়ে তুলেছে। পরিস্কার জামাকাপড় পরে বাগদেবীর সামনে জোড়হাতে বসে প্রার্থনা করেছে সকলেই।
বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের সুপার দীপককুমার সার্কি এই পুজো কমিটির সভাপতি। তিনি নিজেই গোটা বিষয়টি তদারকি করেছেন। জেল পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের বন্দি বিল্লাল শেখ আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করত। ও যে এত সুন্দর প্রতিমা বানাতে পারবে, সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। এছাড়া মানিক একজন মালি। ফুলবাগান পরিচর্যা করে। সেও প্রতিমার কাজে হাত লাগিয়েছে। তবে মূল কারিগর বিল্লাল শেখের হাতের তৈরি প্রতিমা এবার ‘সম্প্রীতির সরস্বতী’ হিসেবে শোভা পাবে মণ্ডপে। জেল পুলিশের রিক্রিয়েশন ক্লাবের এক পুজো উদ্যোক্তা বলেন, বেশ বড় করেই পুজো হচ্ছে। এবার ৩০ হাজার টাকার বাজেটের সরস্বতী পুজো আমাদের। পুলিস কর্মীরা নিজেরাই সব চাঁদা দিয়ে এই পুজো পরিচালনা করছেন।



