


নয়াদিল্লি: ভারতের একদিনের দলের নেতৃত্ব থেকে রোহিত শর্মাকে ছেঁটে ফেলা মানতে পারছেন না রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও’তে তিনি বলেছেন, ‘রোহিত হল ভারতীয় ক্রিকেটের আলোকশিখা। সবসময় নিজের চেয়ে দলকে এগিয়ে রেখেছে। এটাই বদলে দিয়েছে টিম ইন্ডিয়াকে। অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রমাণের বাকি কিছু ছিল না। ভালো লাগত মাঠেই ক্যাপ্টেন হিসেবে ওর বিদায়টা নিশ্চিত হলে। ক্যাপ্টেন রোহিতের এমন ফেয়ারওয়েলই প্রাপ্য। আমরা অবশ্য গর্বিতভাবেই রোহিত যুগকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চললাম।’
একই সুরে গলা মিলিয়েছেন মহম্মদ কাইফ। তাঁর কথায়, ‘রোহিত ভারতীয় ক্রিকেটকে ১৬ বছর দিয়েছে। কিন্তু আমরা ওকে আর একটা বছর দিতে পারলাম না। ক্যাপ্টেন হিসেবে আইসিসি ইভেন্টে ও হেরেছে মাত্র একটা ম্যাচ, ২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপের ফাইনাল। বাকি সব ম্যাচ জিতেছে। ক্যাপ্টেন হিসেবে ওর শেষ ম্যাচ ছিল ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল। তাতে ভারত চ্যাম্পিয়ন। আর রোহিত হয়েছিল ম্যাচের সেরা। তার আগে ২০২৪ সালে টি-২০ বিশ্বকাপও জিতেছিল। কিন্তু এমনই দুর্ভাগ্য যে, ওকে আর একটা বছর নেতৃত্বে রাখা গেল না।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘গিলের বয়স কম। ভালো ক্যাপ্টেন হতেই পারে। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে রোহিতকে সরানোর কোনও মানে হয় না।’
প্রাক্তন অধিনায়ক কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত আবার একহাত নিয়েছেন কোচ গৌতম গম্ভীরকে। তাঁর মতে, এখন দলে থাকার জন্য কোচের ‘ইয়েসম্যান’ হওয়া জরুরি। শ্রীকান্ত বলেছেন, ‘উদ্ভট রকমের দল নির্বাচনের ফলে বিভ্রান্ত হচ্ছে ক্রিকেটাররাই। এই যশস্বী জয়সওয়াল দলে আসছে তো পরের সিরিজেই বাদ পড়ছে। কে কেন দলে জায়গা পাচ্ছে বোঝা দায়। ক্রমাগত পরিবর্তন চলছে। তাতে চিড় ধরছে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসে। এরমধ্যে একমাত্র হর্ষিত রানা স্থায়ী সদস্য। কেউই জানে না, ও কেন সব ফরম্যাটের স্কোয়াডে রয়েছে। আসলে গম্ভীরের ইয়েসম্যান হওয়ার ফায়দা পাচ্ছে হর্ষিত।’ অস্ট্রেলিয়ায় তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজের দলে সঞ্জু স্যামসনের বাদ পড়াও মানতে পারছেন না প্রাক্তন ওপেনার। তিনি বলেছেন, ‘অন্যায় হয়েছে সঞ্জুর প্রতি। শেষ একদিনের ম্যাচে সেঞ্চুরি রয়েছে ওর। তাহলে কেন বাদ? একদিন ওকে নামানো হচ্ছে পাঁচ নম্বরে, কখনও আবার সাত-আট নম্বরে। আর ধ্রুব জুরেল আচমকা কোথা থেকে ওডিআই দলে এল?’