Bartaman Logo
২৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোটপর্ব মিটতেই সুন্দরবন ভ্রমণের বুকিং নিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন পর্যটকরা

ভোট মিটতেই পর্যটকদের মধ্যে বেড়াতে যাওয়ার জন্য খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সুন্দরবনে কবে থেকে যাওয়া যাবে, বুকিং শুরু কবে থেকে প্রভৃতি খবর নিতে শুরু করেছেন পর্যটকরা।

ভোটপর্ব মিটতেই সুন্দরবন ভ্রমণের বুকিং নিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন পর্যটকরা
  • ৪ মে, ২০২৬ ১১:০৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোট মিটতেই পর্যটকদের মধ্যে বেড়াতে যাওয়ার জন্য খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সুন্দরবনে কবে থেকে যাওয়া যাবে, বুকিং শুরু কবে থেকে প্রভৃতি খবর নিতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। ১ মে থেকে টানা তিনদিন (শুক্রবার থেকে রবিবার) ছুটি।  তাই অনেকে ভেবেছিলেন, ভোট দিয়ে এই ছুটি কাটাতে কাছেপিঠে সফর করবেন। পছন্দের জায়গার তালিকায় সুন্দরবনকে রেখেছিলেন অনেকেই। সেই মত তাঁরা বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর, বোট মালিকসহ এই ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে আরম্ভ করেছিলেন। কিন্তু সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ যতক্ষণ না উঠে যাচ্ছে ততক্ষণ কোনো বুকিং নেওয়া যাবে না। ভোটের বেশ কিছুদিন আগে থেকেই সুন্দরবন ভ্রমণে ব্যবহৃত বহু নৌকা ভাড়া হিসাবে নিয়ে নিয়েছিল প্রশাসন। মূলত গোসাবার দ্বীপাঞ্চল এলাকায় বাহিনীকে আনা নেওয়া করতে এমনটা করা হয়। আর দ্বিতীয় দফার ভোটের দুদিন আগে থেকেই সব পর্যটককে হোটেল খালি করে দিতে নির্দেশ দেয় কমিশন। তারপর থেকে এখনো পর্যন্ত সব বুকিং বন্ধ। এদিকে ভ্রমণপিপাসু বাঙালির যেন আর তর সইছে না। বুধবার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই শুরু হয়েছে তাঁদের প্ল্যানিং। উইক এন্ড ট্রিপ হিসাবে সুন্দরবন যথেষ্ট জনপ্রিয় পর্যটকদের মধ্যে। নদী বক্ষে ঘুরতে ঘুরতে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দর্শন পেতে কে না চায়? কিন্তু এখন একটু অপেক্ষা করতে হবে তাঁদের। 

Advertisement

সুন্দরবন ট্যুরিস্ট বোট অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম রসুল সর্দার বলেন, এখন বেশিরভাগ নৌকা প্রশাসনের কাছে। ভোটের জন্য ভোটকর্মীদের আনা নেওয়া করা হয়েছে। বাহিনীকেও নিয়ে যেতে হচ্ছে। আবার সময় করে এপারে আনা হচ্ছে। ফলে এখন কোনো বুকিং নেওয়া হচ্ছে না। কেউ কেউ ফোন করছেন, খোঁজ নিচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের বলে দেওয়া হচ্ছে যে গণনার পর যা হওয়ার হবে। একই পরিস্থিতি বকখালিতেও। ভোটের কদিন আগে থেকেই বুকিং নেওয়া বন্ধ করতে হয়েছিল হোটেল মালিকদের। ফলে গত কয়েকদিন ভারী বুটের শব্দ ছাড়া শুনশান বকখালি সমুদ্র সৈকত। হোটেল ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হবে। এখন প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেকেই আসছেন না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ