আর্সেনাল- ১ (সাকা) : আতলেতিকো- ০
(দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে জয়ী আর্সেনাল)
আর্সেনাল- ১ (সাকা) : আতলেতিকো- ০
(দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে জয়ী আর্সেনাল)
লন্ডন: ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজতেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। তারই মধ্যে এমিরেটস স্টেডিয়ামে বাঁধনছাড়া উল্লাসে মাতল গোটা দল। অনুরাগীদের চোখের জলে তখন আনন্দের স্বাদ। দীর্ঘ দু’দশকের অপেক্ষার অবসান। ২০০৬ সালের পর ফের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আর্সেনাল। মঙ্গলবার ঘরের মাঠে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারাল মিকেল আর্তেতা ব্রিগেড। সেই সুবাদে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে জিতে খেতাবি লড়াইয়ের টিকিট নিশ্চিত করল গানাররা। ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষলগ্নে একমাত্র গোলটি আসে অধিনায়ক বুকায়ো সাকার পা থেকে। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ ডিয়েগো সিমিওনের ছেলেরা। তাই আরও একবার একরাশ হতাশার সঙ্গেই মরশুম শেষ হল মাদ্রিদের ক্লাবটির।
চলতি মরশুমে ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের জন্য প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের দৌড়ে প্রবলভাবে রয়েছে আর্সেনাল। ইতিমধ্যেই লিগের লড়াইয়ে ৫ পয়েন্টে এগিয়ে আর্তেতা ব্রিগেড। আর মঙ্গলবার আতলেতিকোকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতেই জোড়া ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখছেন অনুরাগীরা। আর্তেতা অবশ্য এখনও আবেগের জোয়ারে গা ভাসাতে নারাজ। মঙ্গলবার জয়ের পর তিনি বলেন, ‘অবশেষে দীর্ঘ দু’দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটল। তবে আমাদের লড়াই শেষ হয়নি। আপাতত সামনে ফুলহ্যাম ম্যাচ রয়েছে। ছেলেদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়েছি, কারণ এই ঠাসা সূচিতে তাদের বিশ্রামের কোনও জায়গা নেই।’
শেষ চারের প্রথম লেগে লিড নিয়েও তা হাতছাড়া করেছিল আর্সেনাল। মঙ্গলবার ঘরের মাঠে ম্যাচের রাশ নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করেন এজে-ত্রোসার্ডরা। চোটের কারণে দলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারের অনুপস্থিতিতে আতলেতিকোকে লড়াইয়ের কোনও জায়গা দেননি তাঁরা। দু’দলই অবশ্য শুরু থেকেই সাবধানী ফুটবল মেলে ধরে। ফলে সেভাবে কোনও আক্রমণ গড়ে গড়ে ওঠেনি। তবে ম্যাচের ৪৪ মিনিটে ডানদিক থেকে গায়কোরাসের সেন্টার ধরে গোলে শট নেন ত্রোসার্ড। প্রথম প্রচেষ্টায় তা কোনওক্রমে রুখে দেন আতলেতিকো গোলরক্ষক ওবলাক। তবে ফিরতি বল সহজেই জালে জড়ান সাকা (১-০)। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে বিরতির পর ম্যাচে ফেরার সুযোগ পেয়েছিল আতলেতিকো। বিপক্ষ গোলরক্ষককে একা পেয়েও তা থেকেও গোল করতে ব্যর্থ গুইলিয়ানো সিমিওনে। এমনকী, গ্রিজম্যান-আলভারেজরা কিছুটা মরিয়া চেষ্টা চালান। তবে আর্সেনালের জমাট রক্ষণে ফাটল ধরাতে ব্যর্থ তাঁরা।