Bartaman Logo
৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাকচর অর্পিতার নতুন প্রেমিকের হদিশ রাঁচিতে

ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে পাকচর অর্পিতার আরও এক বয়ফ্রেন্ডের হদিশ পেল এসটিএফ। তাকে আটক করে জেরাও শুরু করেছে।

পাকচর অর্পিতার নতুন প্রেমিকের হদিশ রাঁচিতে
  • ৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুখেন্দু পাল, বর্ধমান; ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে পাকচর অর্পিতার আরও এক বয়ফ্রেন্ডের হদিশ পেল এসটিএফ। তাকে আটক করে জেরাও শুরু করেছে। রাঁচির বাসিন্দা ওই যুবকের কাঁধে ঝাড়খণ্ড মডিউল তৈরির ভার তুলে দিয়েছিল অর্পিতা। তার সঙ্গে একটি অ্যাপের মাধ্যমে শাহাজাদ ভাট্টির ঘনিষ্ঠ রানার সঙ্গে পরিচয় করে দেয় অর্পিতা। এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন পাকচর গ্রেপ্তার হওয়ার পর ঝাড়খণ্ডের ওই যুবক বেশ কিছু ডিজিটাল তথ্য নষ্ট করে দিয়েছে। তদন্ত টিমের এক আধিকারিক বলেন, ঝাড়খণ্ডের ওই যুবক কলেজ ছাত্র। বেশ কিছু নথি খতিয়ে দেখার পরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অর্পিতারা সিমকার্ড ছাড়াই বিশেষ তিন থেকে চারটি অ্যাপের মাধ্যমে নিয়মিত কথা বলত। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড এবং বিহারে ভাট্টি গ্যাং অনেক দূর পর্যন্ত নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছিল। তাদের গ্রুপে যুক্ত থাকা সকল যুবক-যুবতীদের বয়স ২৫ বছরের মধ্যে। শিক্ষিত এবং স্মার্ট যুবকদেরই তারা টার্গেট করেছিল। অর্পিতার বন্ধু হামিম মণ্ডল সবার সঙ্গেই যোগাযোগ রাখত। সে টেকনিক্যাল বিষয়ে অত্যন্ত পারদর্শী। খুব সহজেই মগজ ধোলাই করতে পারত। তাদের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল তহবিল জোগাড় করা। ঝাড়খণ্ড এবং বাংলার ধনী ব্যক্তিদের কাছে থেকে তারা টাকা আদায় করত। অর্পিতার ঝাড়খণ্ডের ওই বন্ধুকে জেরা করে বেশ কিছু তথ্য গোয়েন্দারা পেয়েছেন। তারা দু’জনের সাহেবগঞ্জের একটি পর্যটনকেন্দ্রে কয়েকবার দেখাও করেছে। ভিডিও শ্যুট করার অছিলায় এসে তারা গোপন বৈঠক করেছে। সেখানে বসে তারা হামিম এবং ভাট্টি গ্যাংয়ের কয়েকজনের সঙ্গে কয়েকবার কথাও বলেছে। নেটওয়ার্ক মজবুত করার জন্য অর্পিতা দেদার টাকা খরচ করত। সেই টাকা হাওলার মাধ্যমে হামিমের কাছে আসত। সেই টাকা অর্পিতার কাছে পৌঁছেও দিত। তারা ঝাড়খণ্ড এবং বাংলার প্রায় ১৫ জনকে ফোন করে টাকা চেয়েছিল। তবে তাদের কেউই অভিযোগ করেনি। হাওড়ার ওই জনপ্রতিনিধিকে অ্যাপের মাধ্যমে হামিম নিজে ভুল করে জালে জড়িয়ে ফেলে। আর সেটাই কাল হয়। তিনি পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের বিষয়টি জানান। এরপরই গোয়েন্দারা তদন্তে নেমে হামিমের কাছে পৌঁছে যায়। তাকে জেরা করে ভাট্টি গ্যাংয়ের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে আধিকারিকরা আরও বেশি তথ্য পেয়ে যান। প্রায় তিন বছর ধরে তারা এরাজ্যে জাল বিস্তারের চেষ্টা করছিল বলে হামিম তদন্তকারীদের জানিয়েছে। ভাট্টির ঘনিষ্ঠরাই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এরাজ্যের যুবক যুবতীদের সম্পর্কে যোগাযোগ তৈরির চেষ্টা করত বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ