নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: ব্যান্ডেলের আমবাগান এলাকায় গত ২৭ জানুয়ারি উচ্ছেদের নোটিস দিয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। সোমবার সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দা ও তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আরপিএফ উচ্ছেদ করতে এলে বঁটি-কাটারি, লাঠি যা আছে, তা নিয়ে তাড়া করুন। ভয় পাবেন না। আমি সঙ্গে আছি। তাঁর সংযোজন, বাংলায় বিহারের লোকজনকে কাজে নেওয়া হয়। তাঁরা বাংলা বোঝেন না। কিন্তু, বিহারে কোনও বাঙালিকে কর্মী হিসেবে নিযোগ করে না রেল। তিনি এদিন ব্যান্ডেল সেকশনের ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার অফিসেও যান। সেখানেও স্মারকলিপি দিয়ে আসেন। হয় ঘেরাও কর্মসূচি।
Advertisement
এদিন প্রচুর কর্মী-সমর্থক উচ্ছেদ বিরোধী প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিল। তৃণমূলের দাবি, উচ্ছেদ করার আগে পুনর্বাসন দিতে হবে। স্থানীয় সূত্রে দাবি, রেলের এই জায়গায় দীর্ঘ ৪০-৫০ বছর ধরে লোকজন বসবাস করেন। জবরদখল হয়ে পড়ে রয়েছে। বংশ পরম্পরায় সেখানে বসবাস চলছে। লোকজন বেড়েছে। ঘরও বেড়েছে। ফলে, এই নাগরিকদের থাকার জন্য জায়গা করে দিতে হবে বলেই তৃণমূলের দাবি। তারপরেই উচ্ছেদ করা যাবে। শুধু এই অঞ্চল নয়, এর আগেও রেলের বিভিন্ন উচ্ছেদ অভিযানের বিরোধিতা করেছেন অসিত মজুমদার।
এদিনের তাঁর আক্রমণাত্মক নিদানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি, বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, রেলের জায়গা জবরদখল হয়ে আছে। রাজ্য সরকার নিজের এলাকা দখলমুক্ত করার কাজ করছে। অথচ রেলের জবরদখল হওয়া জমি নিয়ে উস্কানি দিচ্ছেন বিধায়ক। তাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর আগেও তিনি একাধিক জায়গায় গিয়ে বিরোধিতা করেছেন। কিন্তু, রেল শেষপর্যন্ত নিজের জায়গা দখলমুক্ত করেছে। এখানেও রেল জমি উদ্ধার করবে। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, বিধায়ক অকারণে মানুষকে হিংসাত্মক করে তুলছেন।
এদিনের তাঁর আক্রমণাত্মক নিদানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি, বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, রেলের জায়গা জবরদখল হয়ে আছে। রাজ্য সরকার নিজের এলাকা দখলমুক্ত করার কাজ করছে। অথচ রেলের জবরদখল হওয়া জমি নিয়ে উস্কানি দিচ্ছেন বিধায়ক। তাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর আগেও তিনি একাধিক জায়গায় গিয়ে বিরোধিতা করেছেন। কিন্তু, রেল শেষপর্যন্ত নিজের জায়গা দখলমুক্ত করেছে। এখানেও রেল জমি উদ্ধার করবে। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, বিধায়ক অকারণে মানুষকে হিংসাত্মক করে তুলছেন।



