সিঙ্গাপুর: সাদা জামার উপর নেভি ব্লু ব্লেজার। পিঠে ভারতের তেরঙা। শুক্রবার সিঙ্গাপুরের ইকুয়েরিয়াস হোটেলের পুরস্কার মঞ্চে চ্যাম্পিয়ন গুকেশ ডোম্মারাজুর নাম ঘোষণা হতেই, ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে মুখরিত অডিটোরিয়াম। ইতিহাসের সবচেয়ে তরুণ বিশ্বচ্যাম্পিয়নের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দিলেন ফিডের এক কর্তা। এরপর বিশ্ব দাবার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার প্রেসিডেন্ট তাঁর হাতে তুলে দিলেন মহার্ঘ ট্রফি। নিমেষে গুকেশের মুখে খেলে গেল হাজার ওয়াটের হাসি। হাতে মাইক্রোফোন তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের ১৮ বছরের দাবাড়ু বলতে শুরু করলেন, ‘এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। মনে হচ্ছে যেন মুহূর্তটা উপভোগ করার জন্যই প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠি। আজ আমার জীবনের সবচেয়ে মধুর দিন।’ একটু থেমে তাঁর সংযোজন, ‘সবার আগে প্রতিপক্ষ ডিং লিরেনকে অভিনন্দন জানাতে চাই। দুর্দান্ত লড়াই করেছে। আমার পরিবার এখানে রয়েছে। বাবা-মায়ের আত্মত্যাগ ছাড়া এই জায়গায় পৌঁছতে পারতাম না। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানাব আমার টিম ও সমর্থকদের। বিশ্বচ্যাম্পিয়নের স্বপ্নপূরণ হয়েছে। সামনের পথ আরও চ্যালেঞ্জিং। তার জন্য আমি তৈরি।’
Advertisement
দাবা বিশ্বে এখন গুকেশই রাজা। ভারতের তরুণ তুর্কিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন রথী-মহারথীরা। গ্যারি কাসপারভের থেকে কনিষ্ঠতম বিশ্বচ্যাম্পিয়নের রেকর্ড ছিনিয়ে নিয়েছেন গুকেশ। রুশ কিংবদন্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘মাত্র ১৮ বছর বয়সে গুকেশের এমন কীর্তিতে আমি মুগ্ধ। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথটা সহজ ছিল না। কিন্তু যাবতীয় প্রতিকূলতাকে সামলে জাত চিনিয়েছে ও। দাবা ওলিম্পিয়াডে সোনার পর বিশ্বসেরার মুকুট— ভিশি আনন্দের ছেলেরা একের পর এক কীর্তি গড়ছে। ব্যাপারটা দারুণ ইতিবাচক।’
গুরু আনন্দও শিষ্যের সাফল্যে আপ্লুত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছোট্ট গুকেশের সঙ্গে পুরনো দিনের একটি ছবি শেয়ার করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিখেছেন, ‘এই ছোট্ট ছেলেটাই আজ বিশ্ব দাবার বাদশা।’ আনন্দের দাবা অ্যাকাডেমিতে গত চার বছর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন গুকেশ। তরুণ তুর্কির উত্থান খুব সামনে থেকে দেখেছেন ভিশি। তাঁর কথায়, ‘গুকেশকে ইতিহাস গড়তে দেখে খুব গর্ব হচ্ছে। দাবায় ভারতের সোনালি প্রজন্ম পুরো বিশ্বে দাপট দেখাচ্ছে। গুকেশ সেই দলেরই কাণ্ডারি।’ প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেন এবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অবশ্য ভারতীয় তরুণকে প্রশংসায় ভরিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘গুকেশকে অভিনন্দন। দারুণ সাফল্য অর্জন করেছ তুমি। এভাবেই এগিয়ে চল।’
গুরু আনন্দও শিষ্যের সাফল্যে আপ্লুত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছোট্ট গুকেশের সঙ্গে পুরনো দিনের একটি ছবি শেয়ার করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিখেছেন, ‘এই ছোট্ট ছেলেটাই আজ বিশ্ব দাবার বাদশা।’ আনন্দের দাবা অ্যাকাডেমিতে গত চার বছর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন গুকেশ। তরুণ তুর্কির উত্থান খুব সামনে থেকে দেখেছেন ভিশি। তাঁর কথায়, ‘গুকেশকে ইতিহাস গড়তে দেখে খুব গর্ব হচ্ছে। দাবায় ভারতের সোনালি প্রজন্ম পুরো বিশ্বে দাপট দেখাচ্ছে। গুকেশ সেই দলেরই কাণ্ডারি।’ প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেন এবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অবশ্য ভারতীয় তরুণকে প্রশংসায় ভরিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘গুকেশকে অভিনন্দন। দারুণ সাফল্য অর্জন করেছ তুমি। এভাবেই এগিয়ে চল।’



