নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরে পাকিস্তানি জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে কার্যকর ভূমিকা নিয়েছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র। ভারত-রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের তারিফ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার বিপুল সংখ্যক ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের বরাত দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিরক্ষাসূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদংস্থা জানিয়েছে, খুব শীঘ্র উচ্চ পর্যায়ের প্রতিরক্ষা বৈঠকে এই সংক্রান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ব্যবহার করবে বায়ুসেনা এবং নৌসেনা। ভূমি থেকে ভূমি এবং আকাশ থেকে আকাশে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এমন সংস্করণের ক্ষেপণাস্ত্রই এবার বরাত দেওয়া হবে বলে ওই প্রতিরক্ষা আধিকারিক জানিয়েছেন।
‘বীর শ্রেণি’র যুদ্ধজাহাজের জন্য ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র পাবে নৌসেনা। অন্যদিকে রাশিয়ায় তৈরি এসইউ-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমানের জন্য বায়ুসেনাকে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। অন্যসব ক্ষেপণাস্ত্রকে ছাপিয়ে ব্রহ্মস নজর কেড়েছে অপারেশন সিন্দুরের সময়। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে জয়েশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তোইবার সদর দপ্তরে আঘাত হানতে ব্রহ্মসই ছিল মূল হাতিয়ার। নিশানায় নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে এই ক্ষেপণাস্ত্রই বেছে নিয়েছিল বায়ুসেনা। ব্রহ্মসও নিরাশ করেনি। দ্বিতীয় দফায় পাকিস্তানি বিমানঘাঁটিতেও আঘাত হানে ব্রহ্মস। অপারেশন সিন্দুরের সাফল্য বর্ণনাতেও প্রধানমন্ত্রীর কথায় উঠে আসে ব্রহ্মস। তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্রসম্ভারের ক্ষমতা দেখেছে গোটা বিশ্ব। আমাদের আকাশ পথে হামলা প্রতিরোধী ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন আত্মনির্ভর ভারতের শক্তি প্রমাণ করেছে। বিশেষত ব্রহ্মস।’