Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গাইঘাটায় মাকে ভোট দিতে এনে বাহিনীর হাতে নিগৃহীত সেনাকর্মী

বৃদ্ধা মাকে ভোট দিতে নিয়ে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তথা আধা সেনার হাতে বেধড়ক মার খেতে হল এক সেনাকর্মীকে। অভিযোগ, সেনাকর্মীর মোবাইল কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয় জওয়ানরা।

গাইঘাটায় মাকে ভোট দিতে এনে বাহিনীর হাতে নিগৃহীত সেনাকর্মী
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: বৃদ্ধা মাকে ভোট দিতে নিয়ে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তথা আধা সেনার হাতে বেধড়ক মার খেতে হল এক সেনাকর্মীকে। অভিযোগ, সেনাকর্মীর মোবাইল কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয় জওয়ানরা। ঘটনাটি ঘটেছে গাইঘাটার ঝাউডাঙা পঞ্চায়েতের ২১৮ নম্বর বুথে। জানা গিয়েছে, ঝাউডাঙায় আদি বাড়ি হলেও বর্তমান কলকাতায় থাকেন ওই সেনাকর্মী। সেখানে তাঁর ও স্ত্রীর ভোট। মা বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার ভোটার।  

Advertisement

এদিন বৃদ্ধা মায়ের ভোট দেওয়ার জন্য মা ও স্ত্রীকে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যান সেনাকর্মী। গাড়ি থেকে মাকে নিয়ে বুথে যান। সেখানে গাড়ি রাখা নিয়ে কর্তব্যরত জওয়ানদের সঙ্গে বচসা হয় তাঁর। অভিযোগ, জওয়ানরা তাঁকে ও তাঁর ১০৫ বছরের বৃদ্ধা মাকে গালিগালাজ করে। প্রতিবাদ করলে বেধড়ক মারধর করা হয় সেনাকর্মীকে। এরপর গাড়ি করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। এবিষয়ে গাইঘাটা থানায় মৌখিক অভিযোগ দায়ের হলেও লিখিত কোনো অভিযোগ হয়নি। এই ঘটনায় রীতিমত হতবাক সেনাকর্মীর পরিবার।
এদিকে, বাগদাতেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি সক্রিয়তা দেখা গিয়েছে। বাগদা বিধানসভার ২৯২ নম্বর বুথ ট্যাংরা কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের বাইরে তৃণমূলের বুথ অফিস তুলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। বাজারের দোকানপাট বন্ধ করে দেয় বলেও অভিযোগ। অন্যদিকে, বাগদা বিধানসভার হামকুড়া এলাকায় ২২৪ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, গ্রামে ঢুকে ঘর থেকে টেনে বের করে গ্রামবাসীদের মারধর করা হয়। মহিলাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের দাবি, স্থানীয় এক ব্যক্তি তাঁর অন্ধ মাকে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন। সেখানে তাঁকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। এর কিছু সময় পর ওই বুথে আসেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। এরপরই গাড়ি ভরতি করে কেন্দ্র বাহিনী এসে নির্বিচারে তৃণমূল অঞ্চল ও বুথ সভাপতি সহ গ্রামবাসীদের উপরে লাঠিচার্জ করে। বুকে ও মাথায় বন্দুক ঠেকায় বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন মমতা ঠাকুর, মমতা ঠাকুরের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিনা কারণে মারধর করেছে। নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানাব। শান্তনু ঠাকুর বলেন, ভোট লুট করতে এলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেবে এটাই স্বাভাবিক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ