Bartaman Logo
১৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পকসো মামলার রায়দানে গরহাজির অভিযুক্ত সেনাকর্মী, জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

পকসো মামলার রায়দানে গরহাজির সেনাকর্মী কুলবিন্দর সিং-এর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হল। কেন এই আইনি পদক্ষেপ? বিস্তারিত পড়ুন।

পকসো মামলার রায়দানে গরহাজির অভিযুক্ত সেনাকর্মী, জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • ১৬ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৪ সালে দক্ষিণ বন্দর থানা এলাকায় এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। সেই মামলার রায়দানে বারবার কোর্টে গরহাজির থাকেন অভিযুক্ত সেনাকর্মী কুলবিন্দর সিং। সোমবারও জামিনে থাকা ওই সেনাকর্মী কলকাতার বিশেষ পকসো আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিলেন বিচারক পাপিয়া দাস। পরোয়না কার্যকর করার জন্য দক্ষিণ বন্দর থানার পুলিশকে প্রয়োজনীয় আইনি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

এদিকে, এক অভিযুক্ত সেনাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঘিরে এদিন কলকাতার বিচারভবনে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। মামলার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি সৈকত পান্ডে এদিন সরকার পক্ষ থেকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান। তিনি বলেন, ‘অভিযুক্ত আইনের ঊর্ধ্বে নন। উনি কোর্টে হাজির না হওয়ার ফলে মামলার রায়দান কয়েকবার পিছিয়ে গিয়েছে। আদালতের সময় নষ্ট হচ্ছে। তাই তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।’ যদিও অভিযুক্ত পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়, তাদের মক্কেল অসুস্থ। এরপরই বিচারক ওই কড়া নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ১৩ অক্টোবর অভিযোগকারিণী কিশোরী তাঁর বন্ধুকে নিয়ে দক্ষিণ বন্দর থানার গোয়ালিয়র ঘাটের দিকে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, তখন আচমকা ওই সেনাকর্মী কিশোরীর শ্লীলতাহানি করে। কিশোরীর চিৎকারে ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন অভিযুক্তকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষ করে পকসো আদালতে চার্জশিট দেয়। ব্যাঙ্কশাল আদালতে একজন বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের (‌঩‌঩জেএম) কাছে গোপন জবানবন্দি দেন কিশোরী। নির্দিষ্ট ধারায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে শুরু হয় মূল মামলার বিচার। সেই মামলায় শুনানি শেষ হওয়ার পর রায়দানের দিন ঘোষণা হয়। কিন্তু অভিযুক্ত আদালতে গরহাজির থাকছিলেন। এরপরই ক্ষুব্ধ বিচারক এদিন গ্রেপ্তারি আইনি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ