নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: টিটাগড়ের প্রাক্তন কাউন্সিলার মণীশ শুক্লা খুনের পিছনে রয়েছেনএক পুলিশ কর্তা। মণীশের জন্মদিনে টিটাগড়ে মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিযোগ করলেন পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং। মণীশের বাবা চন্দ্রমণি শুক্লা বলেন, ওই আইপিএস অফিসার খুনিদের অস্ত্র সরবরাহও করেছিলেন। খুনের দু-একদিন আগে মণীশের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। লাইসেন্স প্রাপ্ত রিভলভার জমা নিয়ে নেওয়া হয়।
মণীশের জন্মদিন উপলক্ষ্যে টিটাগড়-বারাকপুর এলাকায় ১১ দিন টানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে দাবি উঠেছে, খুনিদের কঠোর শাস্তির। শুধু পুলিশ কর্তা নয়, খুনের পিছনে পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ ছিলেন বলে অর্জুন সিং অভিযোগ করলেন। তিনি বলেন, নির্মল ঘোষ খুনিদের পালাতে সাহায্য করেছিলেন। খুনের অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী তিনিও। তাঁকেও সাজা ভুগতে হবে। তিনি বর্তমানে জেলে রয়েছেন। মণীশ শুক্লা খুনের কেসেও তাঁকে জেলের ঘানি টানতে হবে। নির্মল ঘোষ ছাড়াও এই খুনের পিছনে বারাকপুরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান উত্তম দাস এবং পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী যুক্ত আছেন বলে বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, এফআইআরে তিনজনের নাম ছিল। পরে তা বাদ দেওয়া হয়। আমরা চাই, এই তিনজনকে পুনরায় তদন্তের আওতায় নিয়ে আসা হোক।
অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে এদিন, ‘জাস্টিস ফর মণীশ শুক্লা’ ব্যানারে পদযাত্রা হয় বারাকপুরের তালপুকুর থেকে টিটাগড় থানা পর্যন্ত। যেখানে রাজনৈতিক দলের পতাকা ছাড়া হাঁটেন হাজার দুয়েক মানুষ। মণীশ খুনের ছ’বছর পরও বিচার পর্ব শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।