Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

অর্ঘ্য সেনের জীবনাবসান

বছরের শুরুতেই সুরের জগতে বিরাট নক্ষত্রপতন। দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ও শিক্ষক অর্ঘ্য সেন। গভীর শোকের ছায়া সঙ্গীতমহলে।

অর্ঘ্য সেনের জীবনাবসান
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছরের শুরুতেই সুরের জগতে বিরাট নক্ষত্রপতন। দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ও শিক্ষক অর্ঘ্য সেন। গভীর শোকের ছায়া সঙ্গীতমহলে। জীবনের নব্বইটি বসন্ত পার করে সুরলোকে পাড়ি দিলেন একান্তই প্রচারবিমুখ এই শিল্পী। তাঁর অনবদ্য গায়কী ও পরিবেশনের জোরে আজীবন তিনি শ্রোতাদের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন। তাঁর কণ্ঠে ‘আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে’, ‘আমার মাথা নত করে দাও’, ‘গভীর রজনী নামিল হৃদয়ে’ বিভিন্ন বয়সের শ্রোতাদের মননকে নাড়া দিয়েছে। 

Advertisement

১৯৩৫ সালে অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরে জন্ম অর্ঘ্য সেনের। এরপর কলকাতার বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে পড়াশোনা। ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটে থেকে কর্মজীবন শুরু হয় তাঁর। পাশাপাশি চলে সংগীত সাধনা। রবীন্দ্র সংগীতের প্রতি ছিল তাঁর নাড়ির টান। দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে দীর্ঘদিন সংগীতের তালিম নিয়েছিলেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পর বুধবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী। 
১৯৯৭ সালে সংগীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। অর্ঘ্য সেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, 'বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী অর্ঘ্য সেনের প্রয়াণে আমি গভীর ভাবে শোকাহত। তাঁর চলে যাওয়া বাংলা সাংস্কৃতিক জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।' অর্ঘ্য সেনের প্রয়াণ নিঃসন্দেহে একটি যুগের অবসান।

সম্পর্কিত সংবাদ