নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাত্র ৫ মাসেই মোহভঙ্গ। আইএসএফ ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম। শামিল হলেন তৃণমূলের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। জল্পনা ছিলই। সেই মতোই আজ, সোমবার ভাঙড়ের নেতাকে দেখা গেল বিধানসভায়। বিরোধী দলনেতার ঘরে ঢুকে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন তিনি। তবে কি কি বিষয়ে নিয়ে কথা হয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিতভাবে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। মিটিংয়ের পর অবশ্য ঋতব্রতবাবু জানান, আলোচনা সদর্থক। মূলত ভাঙড়ের বিষয় নিয়েই কথা হয়েছে। সেখানকার মানুষের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে।
চলতি বছরে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই তৃণমূলের হাত ছেড়ে আইএসএফ-এ যোগ দিয়েছিলেন আরাবুল। ক্ষোভের সুরে জানিয়েছিলেন, দলের জন্য প্রাণপাত করলেও দল বারবারই তাঁকে অপমান করেছে। তারজন্যই দল বদলের সিদ্ধান্ত। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবং তৃণমূল শিবিরে ভাঙনের মাঝেই নওশাদের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তুলে আইএসএফ ছাড়েন তিনি। দল ছাড়ার আগে তিনি অভিযোগ তোলেন, আইএসএফ স্বৈরাচারী। এই একনায়কতন্ত্রকে আমি ধিক্কার জানাচ্ছি। আইএসএফের কর্মী-সমর্থকরা ভাঙড়ের মানুষদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরপর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। তবে কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলেই ফিরতে পারেন তিনি। কিন্তু কালীঘাট তৃণমূল না কি ঋতব্রতর তৃণমূল শিবির? কোন দিকে যাবেন তিনি? সেই বিষয়ে স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু আজ বিধানসভায় ঋতব্রতর সঙ্গে আলোচনার পর ধোঁয়াশা কিছুটা কাটল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।