সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: এতদিন খড়্গপুর পুরসভার নির্মলসাথীরা হুইসল বাজিয়ে বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করতেন। এবার তার হুইসিলের বদলে হ্যান্ড মাইক ব্যবহার করবেন। মাইকে করে বাসিন্দাদের আবর্জনা বাইরে দিয়ে যেতে বলবেন। এতে দু’পক্ষেরই সুবিধে হবে। পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে রেল ও আইআইটি এলাকা বাদ দিয়ে ২৫টি ওয়ার্ডে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের কাজ চলছে। এই কাজে ৮৫ জন নির্মলসাথী যুক্ত আছেন। রাজ্য পুরউন্নয়ন নিগম থেকে ৬৫ জনকে এই হ্যান্ড মাইক দেওয়া হয়েছে। বাকিদেরও দেওয়া হবে। এবার থেকে তারা মাইকের সাহায্যে আবর্জনা সংগ্রহের আবেদন জানাবে।
Advertisement
নগর উন্নয়ন দপ্তরের এক প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার পুরসভার সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে আসেন। তারা হিরাডি ডাম্পিং গ্রাউন্ডও পরিদর্শন করেন। কথা বলেন, আধিকারিক ও নির্মলসাথীদের সঙ্গে। তাদের কী কী সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তার খোঁজ খবর নেন। যে সব জায়গায় বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহে বাসিন্দাদের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না সেখানে ওয়ার্ড কাউন্সিলারদের সহযোগিতা নিতে বলা হয়েছে। কাউন্সিলাররা সেই সব বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে সচেতন করবেন। প্রয়োজনে এলাকায় বাসিন্দাদের নিয়ে মিটিং করতে হবে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, তারা পরিস্কার জানিয়ে দিয়ে যান কোনওভাবেই আর রাস্তার ধারে আবর্জনা ফেলা যাবে না। বাড়িতে দেওয়া বালতিতে পচনশীল ও অপচনশীল আবর্জনা জমা করে রাখতে হবে। পুরসভার কর্মীরা এলে তাদের গাড়িতে সেই আবর্জনা ফেলতে হবে।
চেয়ারপার্সন বলেন, শহরের ২৫টি ওয়ার্ডেই বাসিন্দাদের বাড়িতে দু’রকম রংয়ের ঢাকা দেওয়া বালতি দেওয়া হয়েছে। পুরসভার কর্মীরা নির্মলসাথীদের সঙ্গে এলাকায় গিয়ে সেই জমা আবর্জনা সংগ্রহ করেন। ডাম্পিং গ্রাউন্ডে সেই আবর্জনা পৃথকীকরণ করে প্রোসেসিং করা হয়। তিনি বলেন, রাস্তার ধারের সমস্ত দোকান, খাবার দোকান থেকেও প্রতিদিন রাতে আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। তিনি জানান, প্রতিনিধিদল এবারও আবর্জনা সংগ্রহের জন্য প্রতিটি বাড়ি থেকে ন্যুনতম টাকা নেওয়ার কথা বলে গিয়েছে। এব্যাপারে এমাসেই পুরসভার বোর্ড মিটিং ডেকে কাউন্সিলারদের বিস্তারিত জানানো হবে। বাড়ি ছাড়া আবাসন, হোটেল থেকেও টাকা নিতে বলা হয়েছে। সেক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ বেশি হবে। পুরসভাকেই তা ঠিক করতে হবে। যারা বাড়ির কর সংগ্রহ করেন। তারাই এই টাকা সংগ্রহ করবেন।
চেয়ারপার্সন বলেন, শহরের ২৫টি ওয়ার্ডেই বাসিন্দাদের বাড়িতে দু’রকম রংয়ের ঢাকা দেওয়া বালতি দেওয়া হয়েছে। পুরসভার কর্মীরা নির্মলসাথীদের সঙ্গে এলাকায় গিয়ে সেই জমা আবর্জনা সংগ্রহ করেন। ডাম্পিং গ্রাউন্ডে সেই আবর্জনা পৃথকীকরণ করে প্রোসেসিং করা হয়। তিনি বলেন, রাস্তার ধারের সমস্ত দোকান, খাবার দোকান থেকেও প্রতিদিন রাতে আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। তিনি জানান, প্রতিনিধিদল এবারও আবর্জনা সংগ্রহের জন্য প্রতিটি বাড়ি থেকে ন্যুনতম টাকা নেওয়ার কথা বলে গিয়েছে। এব্যাপারে এমাসেই পুরসভার বোর্ড মিটিং ডেকে কাউন্সিলারদের বিস্তারিত জানানো হবে। বাড়ি ছাড়া আবাসন, হোটেল থেকেও টাকা নিতে বলা হয়েছে। সেক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ বেশি হবে। পুরসভাকেই তা ঠিক করতে হবে। যারা বাড়ির কর সংগ্রহ করেন। তারাই এই টাকা সংগ্রহ করবেন।



