নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শূন্য পাওয়ায় হ্যাট্রিক করেছে কংগ্রেস। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে। তবুও চার বছর পর লোকসভা আর ২০৩০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তারা ভালো ফল করবে বলেই স্বপ্ন ফেরি করছে রাহুল গান্ধীর দল।
Advertisement
রবিবার দলের রাজ্যসভার সদস্য অভিষেক মনু সিংভি এক লাঞ্চ পার্টির আয়োজন করেছিলেন। সেখানেই আলাপচারিতায় জয়রাম রমেশ বললেন, ইন্ডিয়া জোট লোকসভার জন্য। বিধানসভায় স্ট্র্যাটেজি আলাদা। কংগ্রেস আসন না পেলেও ভোট প্রাপ্তির হার বেড়েছে। ২০২০ সালে ছিল ৪.৬৩। ২০২৫-র ভোটে ৬.৩৪ শতাংশ। অলকা লাম্বার মন্তব্য, কেজরিওয়ালের দর্প চূর্ণ হয়েছে, এটাই আমাদের বড় জয়। কিন্তু আপনাদের ভোট-কাটুয়া ভূমিকায় বিজেপি জিতে যাওয়ায় কোনওভাবেই কি জনতার কাছে কংগ্রেস ভিলেন নয়? প্রশ্ন করায় মন্তব্য, মোটেই নয়। কংগ্রেস আলাদা দল হিসেবে নিজে ফের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে না? দেবেন্দর আর অলকার দাবি, আগামী ভোটে দেখবেন কংগ্রেস ভালো ফল করবে। কেজরিওয়ালকে শেষ না করলে দিল্লি জেতা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। এবার আপের ভোট আমাদের দিকেই ফিরে আসবে। দিল্লির ফলাফল পাঞ্জাবের ভোটেও কংগ্রেসের পক্ষে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই মন্তব্য করেন জয়রাম রমেশ। ঘটনাচক্রে, এবার বাজেট অধিবেশনে সংসদে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গের ঘরে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের কোনও বৈঠকই হয়নি। বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে।



