


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবশেষে বৃহস্পতিবার ফাইল লোকভবন থেকে আসার পরে আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নিয়োগপত্র দিল উচ্চশিক্ষা দপ্তর। প্রায় তিনসপ্তাহ আগে লোকভবনের এক্স হ্যান্ডল থেকে উপাচার্যদের ছাড়পত্র দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। তবে, সেই ফাইল বিকাশ ভবনে এসে পৌঁছায়নি। তাই তাঁদের নিয়োগপত্রও এতদিন দিতে পারেনি রাজ্য। এদিন সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অয়ন ভট্টাচার্য, হরিচাঁদ গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিমাই সাহা, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ণব সেন, বাবাসাহেব আম্বেদকর এডুকেশন ইউনিভার্সিটিতে অরুণাশিস গোস্বামী, উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেবব্রত বসু, পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দেবব্রত মিত্র, পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ে সঞ্চারী রায় এবং ডায়মন্ডহারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপাচার্য হিসেবে দপ্তরের চিঠি পেয়েছেন। এঁদের মধ্যে পঞ্চানন বর্মা এবং মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নামে সবুজসংকেত দিয়ে ফাইল এদিনই পাঠিয়েছে লোকভবন।
বাকিদের নাম ২৭, ২৮ এবং ২৯ জানুয়ারি সমাজ মাধ্যমে ঘোষণা করেন রাজ্যপাল। নিয়োগপত্র পেয়ে এদিনই অনেক উপাচার্য কাজে যোগ দিয়েছেন। গবেষক সংস্থা ডিআরএসও’র তরফে কল্লোল বাগচি বলেন, ‘স্থায়ী উপাচার্য না-থাকায় রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গবেষণা অর্থনৈতিক, পরিকাঠামোগত এবং গুণগত দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ এভাবে ফাইল ফেলে রাখার ঘটনাকেও সমালোচনা করা হয়েছে গবেষকদের তরফে।