Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবেদন ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’তে, নতুনদেরও টাকা এমাসে, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে উপভোক্তা বৃদ্ধি কয়েক লক্ষ

জানুয়ারির শেষেই ১৬ লক্ষ উপভোক্তাকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা দিতে চলেছে নবান্ন।

আবেদন ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’তে, নতুনদেরও টাকা এমাসে, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে উপভোক্তা বৃদ্ধি কয়েক লক্ষ
  • ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জানুয়ারির শেষেই ১৬ লক্ষ উপভোক্তাকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা দিতে চলেছে নবান্ন। উপভোক্তার সংখ্যা আরো বাড়তেও চলেছে। সব ঠিকঠাক থাকলে বাড়বে প্রায় ৪ লক্ষ। তাতে এমাসের শেষেই রাজ্যের ২১টি জেলার ২০ লক্ষ প্রান্তিক মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা পাঠাবে রাজ্য। এই উপভোক্তা বৃদ্ধির তোড়জোড় নবান্নে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে এক ক্লিকেই এই টাকা পাঠাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। বেশকিছু উপভোক্তার হাতে বাড়ি তৈরির শংসাপত্রও তুলে দিতে পারেন তিনি।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা কেন্দ্র দেয়নি। তাতে বাংলার প্রান্তিক গরিব মানুষের পাকাবাড়ির স্বপ্ন অধরাই থেকে গিয়েছিল। সেই স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে বাংলার বাড়ি প্রকল্প চালু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একেকজন উপভোক্তাকে ৬০ হাজার টাকা হিসেবে দুটি কিস্তিতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বাড়ি তৈরির সহায়তা দেয় রাজ্য। কেন্দ্রীয় সহায়তাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা পেতে আগে থেকেই ২৮ লক্ষের তালিকা তৈরি ছিল। সেই তালিকা থেকেই ২০২৪-এর ডিসেম্বরে ১২ লক্ষ মানুষকে বাংলার বাড়ির দুই কিস্তি দিয়েছিল রাজ্য। এজন্য সম্পূর্ণ রাজ্যের কোষাগার থেকে খরচ হয় ১৪ কোটি টাকা। চলতি মাসে আরও ১৬ লক্ষ উপভোক্তাকে এই সহায়তা প্রদানের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এই সংক্রান্ত প্রস্তুতির মাঝেই প্রশাসনের নজর পড়ে যে, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী হেল্পলাইনের মাধ্যমে বাড়ি তৈরির নতুন আবেদন এসেছে প্রায় ১৫ লক্ষ। তার মধ্যে থেকেও ৪ লক্ষকে বাড়ি তৈরির সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত। বলা বাহুল্য, নতুন ৪ লক্ষ আবেদনকারীকে এই প্রকল্পে শামিল করতে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন। তাই সংশ্লিষ্ট ফাইল পঞ্চায়েত দপ্তর থেকে অর্থদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, অর্থদপ্তরও তাতে সিলমোহর দিতে চলেছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, আবেদনকারীদের ‘যোগ্যতাও’ যাচাই করে নিয়েছে রাজ্য। তাঁদের নির্দিষ্ট কোড নম্বর দেওয়া চলছে। যাচাই প্রক্রিয়া চালাতে রাজ্য থেকে সব জেলায় প্রয়োজনীয় বার্তাও পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ