লাহোর: মরণ-বাঁচন ম্যাচে টানটান উত্তেজনার মধ্যে ইংল্যান্ডকে ৮ রানে হারাল আফগানিস্তান। এই পরাজয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বিদায় নিল জস বাটলার বাহিনী। কাজে এল না জো রুটের লড়াকু সেঞ্চুরি। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কাবুলিওয়ালার দেশ ৭ উইকেটে তোলে ৩২৫ রান। তার মধ্যে একা ইব্রাহিম জাদরানের ১৪৬ বলে ১৭৭। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে এটাই সর্বাধিক রান। এর আগে গদ্দাফি স্টেডিয়ামেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের ওপেনার বেন ডাকেট করেছিলেন ১৬৫। জাদরান সেই রেকর্ড ভেঙে আফগানিস্তানকে রানের পাহাড়ে পৌঁছে দেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১২টি চার ও ৬টি ছক্কা।
Advertisement
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি আফগানিস্তানের। জোফ্রা আর্চারের গতিতে পরাস্ত হন গুরবাজরা। একটা সময় তাদের রান ছিল ৩ উইকেটে ৩৭। তা দেখে ইংল্যান্ডের সমর্থকরা বেশ খুশিই হয়েছিলেন। কিন্তু খেলা যত গড়িয়েছে, জাদরানের ব্যাটিং তাণ্ডবে ছন্নছাড়া দেখিয়েছে ইংল্যান্ডের বোলিংকে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড শুরুতেই ফিল সল্টের (১২) উইকেট হারায়। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি জেমি স্মিথও (৯)। পর পর উইকেট পড়ায় আস্কিং রেটও মাথা চাড়া দিতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে রশিদ খানের অনবদ্য ডেলিভারিতে লেগ বিফোর হন বেন ডাকেট (৩৮)। প্রবল চাপে দলকে ভরসা জোগান জো রুট। ৯৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর ১১১ বলে ১২০ রানে ছিল ১১টি চার ও একটি ছক্কা। রুট ফেরার পর ওভারটন (৩২) ও আর্চার (১৪) প্রবল চাপের মধ্যে এগিয়ে নিয়ে যান দলকে। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৩। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ইংল্যান্ড থেমে যায় ৩১৭ রানে। আফগানদের সফলতম বোলার আজমাতুল্লাহ ওমারজাই (৫-৫৮)।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড শুরুতেই ফিল সল্টের (১২) উইকেট হারায়। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি জেমি স্মিথও (৯)। পর পর উইকেট পড়ায় আস্কিং রেটও মাথা চাড়া দিতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে রশিদ খানের অনবদ্য ডেলিভারিতে লেগ বিফোর হন বেন ডাকেট (৩৮)। প্রবল চাপে দলকে ভরসা জোগান জো রুট। ৯৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর ১১১ বলে ১২০ রানে ছিল ১১টি চার ও একটি ছক্কা। রুট ফেরার পর ওভারটন (৩২) ও আর্চার (১৪) প্রবল চাপের মধ্যে এগিয়ে নিয়ে যান দলকে। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৩। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ইংল্যান্ড থেমে যায় ৩১৭ রানে। আফগানদের সফলতম বোলার আজমাতুল্লাহ ওমারজাই (৫-৫৮)।



