ঢাকা: বাংলাদেশে আপাতত বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করার অধিকারও নেই আওয়ামি লিগের। বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক দিয়ে রবিবার ঢাকার নূর হোসেন চত্বরে সমাবেশের ডাক দিয়েছিল হাসিনার দল। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের প্রেসসচিব শফিকুল ইসলাম ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, আওয়ামি লিগকে রবিবার বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। তাঁর বক্তব্য, আওয়ামি লিগ বর্তমানে একটি ফ্যাসিবাদী দল। ফলে এই ফ্যাসিবাদী দলকে বাংলাদেশে বিক্ষোভ দেখানোর কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে প্রেসসচিবের হুঁশিয়ারি, কেউ যদি ‘গণহত্যাকারী’ ও ‘স্বৈরাচারী’ শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী মিছিল, সমাবেশের আয়োজন করে তাহলে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এজেন্সিগুলির মুখোমুখি হতে হবে। আওয়ামি লিগের নাম না করলেও একই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কেয়ারটেকার সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি জানিয়েছেন, গণহত্যাকারী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কর্মসূচি আয়োজনের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এর আগে আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠন ছাত্র লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ সরকার।
Advertisement
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইতিমধ্যেই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন শেখ হাসিনা। আওয়ামি লিগের ‘ভেরিফায়েড’ ফেসবুক পেজ থেকে হাসিনার যে শুভেচ্ছাবার্তা পোস্ট করা হয়েছে, তাতে হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্প জেতার পর ইতিমধ্যেই বহু জায়গায় মিছিল শুরু করেছে হাসিনার দল। আওয়াজ উঠেছে, ফিরবেন হাসিনা। পালাও ইউনুস।
প্রতি বছর ১০ নভেম্বর নূর হোসেন দিবস পালন করে আওয়ামি লিগ। এবারও ওই দিন কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল হাসিনার দল। লিগের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ঢাকার গুলিস্তানে নূর হোসেন চত্বরে আসুন। দেশের মানুষের অধিকার হরণ, মৌলবাদী শক্তির উত্থান ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি বলে ওই পোস্টে বলা হয়েছে। সব জেলা ও উপজেলায় আওয়ামি লিগের কর্মীদের পথে নামার ডাকও দেওয়া হয়। হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর এটিই আওয়ামি লিগের প্রথম কর্মসূচি ছিল। তার আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখল বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকার।
প্রতি বছর ১০ নভেম্বর নূর হোসেন দিবস পালন করে আওয়ামি লিগ। এবারও ওই দিন কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল হাসিনার দল। লিগের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ঢাকার গুলিস্তানে নূর হোসেন চত্বরে আসুন। দেশের মানুষের অধিকার হরণ, মৌলবাদী শক্তির উত্থান ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি বলে ওই পোস্টে বলা হয়েছে। সব জেলা ও উপজেলায় আওয়ামি লিগের কর্মীদের পথে নামার ডাকও দেওয়া হয়। হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর এটিই আওয়ামি লিগের প্রথম কর্মসূচি ছিল। তার আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখল বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকার।



