Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

দিল্লিতে ফের হামলার ছক! পুলিশের স্পেশাল সেলের হাতে ধৃত ৯ পাকিস্তানি চর

পাকিস্তানের জঙ্গি মডিউলের সদস্য সন্দেহে ধৃতদের জেরা করতেই বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ফের দিল্লি রক্ষা পেল আইএসআইয়ের হামলার ছক থেকে। সূত্র থেকে জানা গিয়েছে লালকেল্লা হামলার পর ফের দিল্লিতে হামলার ছক কষছিল গুপ্তচর সংস্থা শাহজাদ ভাট্টি মডিউল।

দিল্লিতে ফের হামলার ছক! পুলিশের স্পেশাল সেলের হাতে ধৃত ৯ পাকিস্তানি চর
  • ৮ মে, ২০২৬ ১৫:০৫
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ৮ মে: পাকিস্তানের জঙ্গি মডিউলের সদস্য সন্দেহে ধৃতদের জেরা করতেই বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ফের দিল্লি রক্ষা পেল আইএসআইয়ের হামলার ছক থেকে। সূত্র থেকে জানা গিয়েছে লালকেল্লা হামলার পর ফের দিল্লিতে হামলার ছক কষছিল গুপ্তচর সংস্থা শাহজাদ ভাট্টি মডিউল। এবার তাদের লক্ষ্য ছিল, দিল্লির একটি ঐতিহাসিক মন্দির, দিল্লি-সোনীপথ সড়কের ধারের একটি জনপ্রিয় ধাবা এবং হরিয়ানায় সেনার একটি ছাউনি। 

Advertisement

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল দিল্লি সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে এই মডিউলের সঙ্গে যুক্ত ৯ জন সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তদের কাছ থেকে বেশকিছু অস্ত্রও উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় ধৃতদের মধ্যে একজন স্বীকার করে যে দিল্লির একটি ঐতিহাসিক মন্দির ছিল তাদের প্রধান টার্গেট। ওই মন্দির এলাকায় যথারীতি রেইকি চালিয়ে ছবি তুলে পাকিস্তানে থাকা হ্যান্ডলারদের কাছেও পাঠানো হয়েছিল বেলেও দাবি করে ধৃত ওই দুষ্কৃতী।  পরিকল্পনা ছিল, প্রথমে মন্দিরে মোতায়েন পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো, তারপর ধর্মীয় স্থানে হামলা করা। এছাড়াও দিল্লি-সোনীপথ সড়কের পাশে একটি জনপ্রিয় ধাবায় হ্যান্ড গ্রেনেড হামলারও ছক কষা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। 

জেরায় আরও জানা গিয়েছে, হরিয়ানার একটি সামরিক ঘাঁটিও ই মডিউলের নিশানায় ছিল। ধৃতদের মধ্যে একজন ওই সেনা শিবিরে রেইকি চালিয়ে ভিডিও তৈরি করে পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার আরো দাবি, উত্তরপ্রদেশের কয়েকটি থানায় মোতায়েন পুলিশ কর্মীদেরও টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল এই মডিউলের। 

দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, এই চক্রটির সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের যোগাযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলিও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়িয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ