Bartaman Logo
৯ আগস্ট, ২০২৬

ফের বারামতীতে বিমান দুর্ঘটনা! আছড়ে পড়ল প্রশিক্ষণ বিমান

দেশে ফের বিমান দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার বারামতী বিমানবন্দরে ফের দুর্ঘটনার কবলে পড়ল একটি বেসরকারি সংস্থার প্রশিক্ষণ বিমান। রবিবার দুপুরে বিমানবন্দর চত্বরের মধ্যেই রানওয়ের অদূরে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

ফের বারামতীতে বিমান দুর্ঘটনা! আছড়ে পড়ল প্রশিক্ষণ বিমান
  • ৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৪৯
Prefer us on Google

মুম্বই, ৯ আগস্ট: দেশে ফের বিমান দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার বারামতী বিমানবন্দরে ফের দুর্ঘটনার কবলে পড়ল একটি বেসরকারি সংস্থার প্রশিক্ষণ বিমান। রবিবার দুপুরে বিমানবন্দর চত্বরের মধ্যেই রানওয়ের অদূরে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। বিমানেরও সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুপুর প্রায় ১২টা ৩৫ মিনিট নাগাদ বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিমানটি খুব কম উচ্চতায় উড়ছিল। সে সময় সম্ভবত কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। এরপর সেটি জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে। সেই সময়ই বিমানের একটি অংশ বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মারে। বারামতীতে গত কয়েক মাসের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনা। এর আগে গত ১৩মে একটি বেসরকারি সংস্থার প্রশিক্ষণ বিমান বারামতীর বিমানপথ সংলগ্ন গোজুবাভি গ্রামের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। ওই বিমানে কেবল পাইলট ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তিনি নিরাপদে বেরিয়ে আসেন এবং গুরুতর কোনও আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। 

গত জানুয়ারি তেও একটি মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার কারণে শিরোনামে এসেছিল এই বিমানবন্দর। ২৮ জানুয়ারি একটি বিমান অবতরণের সময় দুর্ঘটনায় পড়ে।  সেই ঘটনায় তৎকালীন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার-সহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, এক সহকারী এবং দুই ক্রু সদস্য। অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত করছে এএআইবি। তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্ট আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে জমা পড়ার কথা রয়েছে। 

এদিকে বারামতী বিমানবন্দরকে আরও আধুনিক ও নিরাপদ করে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। রাতের সময় বিমান ওঠানামা আরও নিরাপদ করতে বিশেষ ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিমানবন্দর চত্বরে একটি পৃথক অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র বা ফায়ার স্টেশন তৈরি করা হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদার করতে শক্তিশালী সুরক্ষা প্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ