Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শহরে আরও দেড় লক্ষ আবাস রাজ্যের

গ্রামীণ এলাকার পাশাপাশি এবার শহরাঞ্চলেও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের মাথার উপর ছাদের ব্যবস্থা করতে এগিয়ে এল রাজ্য।

শহরে আরও দেড় লক্ষ আবাস রাজ্যের
  • ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

প্রীতেশ বসু, কলকাতা: গ্রামীণ এলাকার পাশাপাশি এবার শহরাঞ্চলেও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের মাথার উপর ছাদের ব্যবস্থা করতে এগিয়ে এল রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পুরসভা এলাকাজুড়ে চলবে এই কর্মকাণ্ড। আরও দেড় লক্ষ পাকা বাড়ি গড়তে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে রাজ্য। 

Advertisement

ইতিমধ্যে শহুরে আবাস যোজনার (বাংলার বাড়ি-শহর) অধীনে ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার বাড়ি নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে নির্মাণ চলছে ১ লক্ষ ৪০ হাজার বাড়ির। এর মধ্যেই আরও দেড় লক্ষ বাড়ির জন্য উপভোক্তা বাছাইয়ে নামতে চলেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের অধীনস্ত স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (সুডা)। কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা না দেওয়ায় গ্রামীণ এলাকার জন্য রাজ্য ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প চালু করে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করছে। কিন্তু শহুরে আবাসের ক্ষেত্রে হিসেবটা অনেকটাই আলাদা। এক্ষেত্রে একটি বাড়ি তৈরির জন্য একজন উপভোক্তা পান ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা। যার মধ্যে রাজ্যের কোষাগার থেকে দেওয়া হয় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা। দেশের আর কোনও রাজ্য এই পরিমাণ টাকা বাড়ি তৈরির জন্য দেয় না। আর কেন্দ্র দেয় দেড় লক্ষ টাকা। আর ২৫ হাজার টাকা দিতে হয় উপভোক্তাকে। রাজ্যের এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, কয়েক মাস হল আবাস যোজনার (২.০) বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। এবার পুরোদমে কাজ শুরু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। তবে মাথায় রাখতে হবে, এই সুবিধা পাওয়ার জন্য উপভোক্তার ন্যূনতম সাড়ে ৩৫০ বর্গ ফুট জমি থাকা বাধ্যতামূলক। 
তবে এবার বেশ কিছু নয়া নিয়ম যুক্ত হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল নির্দিষ্ট একটি ইউনিফায়েড ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে বাড়ি তৈরির সহায়তা পাওয়ার জন্য আবেদন জমা দিতে হবে। আধারের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংযুক্তিকরণও বাধ্যতামূলক। সেক্ষেত্রে উপভোক্তাকে দেখে নিতে হবে, তাঁর আধারের এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর যেন পৃথক না হয়। কারণ, আবেদনের সময়েই একটি ওটিপি যাবে উপভোক্তার মোবাইল ফোনে। সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী আগে বাড়ি নির্মাণের জন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের টাকা পেয়েছেন কি না, তা যাচাই হবে আধারের তথ্য ব্যবহার করে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের তরফে খুব শীঘ্রই পুরসভাগুলিকে সম্পূর্ণ বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হবে। যাচাই প্রক্রিয়া যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ করার উদ্যোগ নেবে রাজ্য। এর সঙ্গে সরাসরি যোগ না থাকলেও, আগের পর্বের অনুমোদিত সমস্ত বাড়ি নির্মাণের কাজ দ্রুত শেষ করতে চাইছে রাজ্য। বেশ কিছু পুর এলাকা মিলিয়ে প্রায় ৭৫ হাজার বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে ঢিলেমি নজরে এসেছে। সেই কারণে ওই পুরসভাগুলিকে দ্রুত কাজ এগিয়ে জিও ট্যাগিং সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ