Bartaman Logo
১১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বার্ষিক ফি দ্বিগুণ, বিক্ষোভ জাবরাভিটা ও হাকিমপাড়ার স্কুলে

সরকার নির্ধারিত বার্ষিক ফি থেকে বাড়তি টাকা চাওয়ায় অভিভাবকদের বিক্ষোভে উত্তাল হল হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয়।

বার্ষিক ফি দ্বিগুণ, বিক্ষোভ জাবরাভিটা ও হাকিমপাড়ার স্কুলে
  • ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: সরকার নির্ধারিত বার্ষিক ফি থেকে বাড়তি টাকা চাওয়ায় অভিভাবকদের বিক্ষোভে উত্তাল হল হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয়। শুক্রবার শিলিগুড়ি কলেজের পিছনে এই স্কুলের সামনে অভিভাবকরা কোনও কারণ ছাড়া অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শিলিগুড়ি শহর লাগোয়া জাবরাভিটাতেও একই ঘটনা ঘটে এদিন। দুই জায়গাতেই অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি  নির্দেশিকায় ২৪০ টাকা ফি। সেখানে স্কুলের তরফে নতুন ক্লাসে ভর্তির জন্য অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হচ্ছে। হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয় ৫০০ টাকা ও জাবরাভিটা হাইস্কুলে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ে এদিন ভর্তির দিন ছিল। সেই মতো প্রত্যেক ছাত্রীকে ৫০০ টাকা করে আনতে বলা হয়েছিল। অভিভাবকরা স্কুলে এসে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে স্কুলের তরফে কোনও পরিষ্কার উত্তর দেওয়া হয়নি। বিক্ষোভের চাপে স্কুলের তরফে একসময় অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার কথা অস্বীকার করা হয়। এতে অভিভাবকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। অভিভাবকদের বিক্ষোভ সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শিলিগুড়ি থানার পুলিশ। তারপর স্কুল কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দেয়, বিষয়টি পরিচালন সমিতির সঙ্গে কথা বলে তারা বিবেচনা করবে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হবে না। তারপরেই অভিভাবকরা শান্ত হন। 

Advertisement

এদিকে, জাবরাভিটা স্কুলে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ভর্তি শুরু হয়ে গিয়েছে। সেখানে স্কুলের তরফে দেওয়া রসিদে ২৪০ টাকা ভর্তির ফি বাবদ লেখা হচ্ছে। রসিদের পিছনে হাতে লিখে দেওয়া হচ্ছে সরস্বতী পুজোর চাঁদা ও কম্পিউটার ফি বাবদ অতিরিক্ত টাকা সহ মোট ৪০০ টাকার হিসেব। অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সরকারি স্কুলে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। 
যদিও দুই স্কুল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। শিলিগুড়ি শিক্ষা জেলার  স্কুল পরিদর্শক ছুটিতে রয়েছেন। তাঁর দায়িত্বে থাকা আধিকারিক গৌতম সরকার বলেন, স্কুল পরিদর্শক ছুটিতে আছেন। তিনি ফিরলে এ বিষয়ে যা কিছু বলার ও পদক্ষেপ করার করবেন। 
এদিকে, জেলা স্কুল পরিদর্শকের দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার নিয়মবিরুদ্ধ। এখন সরকারের থেকে কম্পিউটার শিক্ষক দেওয়া হয়েছে। তাই কম্পিউটারের জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রয়োজন আর স্কুলগুলির নেই। কেন অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে তা প্রশাসনিকভাবে খতিয়ে দেখা দরকার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ