


• পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্যকে আইনি নোটিস পাঠালেন অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী। পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তা, মানহানি সহ একাধিক অভিযোগ করেছেন নায়িকা। নোটিসে সাতদিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেছেন অভিনেত্রী। তা না হলে এফআইআর সহ কঠোর আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অঙ্কিতা। পালটা আইনি উপায়েই এর জবাব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পরিচালকও।
২০২০ সালে একটি প্রজেক্টে দেবালয়ের পরিচালনায় কাজ করেন অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগ, সেই সময় কলকাতার এক রেস্তরাঁয় একটি অনুষ্ঠানে মদ্যপ অবস্থায় পরিচালক হেনস্তা করেন অঙ্কিতাকে। সেই ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগ, ওই ঘটনার পর ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে ৬ বছর ধরে লাগাতার অঙ্কিতার কেরিয়ার নষ্টের হুমকি দিয়েছেন দেবালয়। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পেশাগত সততা নিয়ে একটি পোস্ট করেন দেবালয়। সেখানেই ২০২০ সালের সেই ঘটনার কথা তুলে ধরেন অঙ্কিতা। তারপরই অবশ্য পোস্টটি সরিয়ে দেন দেবালয়। অভিযোগ, এরপর সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে অঙ্কিতাকে ‘অসম্মানজনক’ কথা বলেন দেবালয়। তারপরই পরিচালকের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন অঙ্কিতা। সোমবার এই ইস্যুতে আইনজীবী প্রিয়ম দে-কে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন অঙ্কিতা। তিনি বলেন, ‘একজন হেনস্তাকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় ন্যায়নীতির কথা বলবে, সেটা দেখে ট্রিগার হব না? কতদিন চুপ করে থাকব? মিথ্যা কথা বলেই বা আমার লাভ কী? এসব বললে কাজ পাওয়া যায় না, কাজ খোওয়া যায়, ৪০ বছর বয়সে এটুকু বোঝার ক্ষমতা নিশ্চয়ই আমার হয়েছে।’ অভিনেত্রী জানিয়েছেন, আইনি নোটিসের কপি হরিদেবপুর থানা সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দেবালয়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, ‘আমি পুরো প্রেস কনফারেন্সটা দেখেছি। ওঁর পুরো পোস্টটাও দেখেছি। প্রথমত খারাপ ভাষায়, ভুল বানানে কেউ কিছু পোস্ট করলে, তা নিয়ে মাথা ঘামাতে ইচ্ছুক নই। তবে সাংবাদিক বৈঠকটা দেখে আমি স্তম্ভিত। উনি যেগুলি বলছেন, সেগুলি ভিত্তিহীন। এই নোংরামিতে না গিয়ে আমিও আইনের পথেই হাঁটছি। এবার যা হবে আদালতেই হবে। কারণ আমার ভাবমূর্তির যা ক্ষতি করার উনি করেছেন। শেষ সাংবাদিক বৈঠকটা আমিই করব।’
আরাত্রিকা চক্রবর্তী