সংবাদদাতা, কল্যাণী: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে পুরসভায় তালা ঝোলালেন ব্যবসায়ীরা। সেই তালা হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে পুরভবনে ঢুকলেন পুরপ্রধান। তারপর বিক্ষোভকারীরা আবার তালা দিয়ে দিলেন। বৃহস্পতিবার দিনভর এভাবে বিক্ষোভ দেখানো চলল। তার জেরে পুর পরিষেবা কার্যত বিপর্যস্ত। শেষে বিকেলে আলোচনার পর বিক্ষোভে অব্যাহতি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনায় দিনভর উত্তপ্ত হয়ে থাকল হরিণঘাটা।
পুরপ্রধান দেবাশীষ বসু বলেন, ‘পুরসভায় কেউ ইচ্ছামতো তালা মারতে পারেন না। এ কাজ আইনত অপরাধ।’ আর ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ‘দাবি না মানা হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।’ এদিন প্রায় শতাধিক বিক্ষোভকারী আন্দোলনে নামেন। তাঁরা জানান, হরিণঘাটা পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডে শতবর্ষ পুরনো একটি সব্জি আড়ত আছে। অথচ তার এক কিলোমিটারের মধ্যে স্বজনপোষণ করতে একটি নতুন সব্জি আড়ত বসার অনুমতি দিয়েছে পুরসভা। যার ফলে সব্জি ব্যবসা তো বটেই পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবসাতেও প্রভাব পড়েছে। পুরনো আড়ত থেকে ব্যবসাদারদের একাংশ নতুন আড়তে চলে গিয়েছেন। কাছাকাছি দু’টি হয়ে যাওয়ায় বিক্রি কমে গিয়েছে। বারবার প্রশাসনকে জানিয়ে কোনও সুরাহা হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে এবার পুরসভার মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুরপ্রধানকে পুরসভায় ঢুকতে বাধাও দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, নতুন আড়ত অবৈধভাবে তৈরি করেছে পুরসভা। পুরপ্রধান বলেছেন, ‘বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আইন মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তাঁদের জানানো হয়েছে।’ - নিজস্ব চিত্র