Bartaman Logo
৮ জুলাই, ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয় লাগোয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গড়তে হবে, নির্দেশ কেন্দ্রের

প্রায় ১১ লক্ষ কেন্দ্রের এখনও পর্যন্ত কোনও ম্যাপিংই হয়নি। অর্থাৎ কার্যকর করা আদৌ সম্ভব কিনা, খতিয়ে দেওয়া হয়নি। তবুও ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাগোয়া তৈরি করতে হবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র।’

প্রাথমিক বিদ্যালয় লাগোয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গড়তে হবে, নির্দেশ কেন্দ্রের
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:০৯
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রায় ১১ লক্ষ কেন্দ্রের এখনও পর্যন্ত কোনও ম্যাপিংই হয়নি। অর্থাৎ কার্যকর করা আদৌ সম্ভব কিনা, খতিয়ে দেওয়া হয়নি। তবুও ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাগোয়া তৈরি করতে হবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র।’ বুধবার নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করে এমনটাই জানিয়ে দিল মোদি সরকার। এদিন বিজ্ঞান ভবনে এক অনুষ্ঠানে গাইডলাইন প্রকাশ করলেন দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং অন্নপূর্ণা দেবী। শিক্ষা এবং নারী-শিশু কল্যাণ মন্ত্রকের যৌথ উদ্যোগেই তৈরি হয়েছে নয়া গাইডলাইন। তবে এর সঙ্গে এবার স্বাস্থ্যমন্ত্রককেও জোড়ার পরিকল্পনা চলছে। 

Advertisement

কেন্দ্রেরই রিপোর্ট বলছে, গোটা দেশে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চলছে ১৪ লক্ষ ২ হাজার ৭২টি। সরকারি এবং সরকারি সাহায্যে চলা প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৯ লক্ষ ১৬ হাজার ১৪৫। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত ২ লক্ষ ৯০ হাজার ৯৫৯ অঙ্গনওয়াড়ি বিদ্যালয়ের লাগোয়া। গর্ভবতীর পাশাপাশি ৬ মাস থেকে ৬ বছরের শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র যদি বিদ্যালয় লাগোয়া না হয়, তাহলে সেখানে পড়াশোনার উৎসাহ মিলবে না বলেই মনে করছে কেন্দ্র। 
দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানালেন, রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করেই এগনো হবে। কোনওভাবেই যদি স্কুল লাগোয়া জমি বা ঘর না পাওয়া যায়, তাহলে সামান্য দূরে করতে হবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। শহরাঞ্চলে প্রাথমিক স্কুল থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ মিটার এবং গ্রামাঞ্চলে সর্বোচ্চ এক কিলোমিটারের মধ্যে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গড়ার কথা বলা হয়েছে নয়া গাইডলাইনে। বলা হয়েছে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গড়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে শিশুদের পর্যাপ্ত খেলাধূলার জায়গা থাকে। পানীয় জল, শিশুবান্ধব টয়লেট, রান্নাঘর গড়া যায় এমন জায়গা থাকে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ