সংবাদদাতা, কল্যাণী: চাকদহের খেদাইতলার সাপের মেলা প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো। মঙ্গলবার মনসা পুজোর দিন শুরু হয়েছে মেলা। নদীয়া তো বটেই আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তরা আসে এখানে।
সংবাদদাতা, কল্যাণী: চাকদহের খেদাইতলার সাপের মেলা প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো। মঙ্গলবার মনসা পুজোর দিন শুরু হয়েছে মেলা। নদীয়া তো বটেই আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তরা আসে এখানে।
চাকদহ বনগাঁ রাজ্য সড়কের উপর বেলের মোড় থেকে গ্রামের দিকে ঢুকে সাপের মেলায় যেতে হয়। একসময় মেলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সাপ ও সাপুড়ে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাপুড়ে, বেদে-বেদেনিরা নানা ধরনের সাপ নিয়ে মেলায় আসতেন। তবে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের কারণে তাদের অনেকে এখন অন্য পেশায়। ফলে মেলায় সাপের সংখ্যা কমতে কমতে প্রায় শূন্য। তবে সে কারণে মেলার উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি। সাপের মেলার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে একটি প্রাচীন নিমগাছ। গাছের গুঁড়িতে চাল-কলা দিয়ে পুজো দেয় হাজার হাজার মানুষ। অনেকে নিমগাছে ঢিল বেঁধে মনস্কামনা জানান। জানা গিয়েছে, প্রায় ৩০০ বছর আগে খেদাই ঠাকুর নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির উদ্যোগে এই পুজোর সূচনা হয়েছিল। তবে এ লোকশ্রুতি নিয়ে মতান্তর আছে। শ্রাবণ সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে আয়োজন হয় এই মেলার। চলে এক সপ্তাহ। হিন্দু-মুসলমান সকলে অংশগ্রহণ করে। সাপের মেলা সম্প্রীতির উৎসব হিসাবে সকলের কাছে পরিচিত। মেলা চলাকালীন মেডিকেল টিম, অ্যাম্বুল্যান্স ও অনুসন্ধান কেন্দ্রের ব্যবস্থা করে প্রশাসন। মেলা উন্নয়ন কমিটির সভাপতি দীপঙ্কর সরকার বলেন, ‘মনসা পুজো উপলক্ষ্যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে আসেন।’ নিজস্ব চিত্র