Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কোচবিহার: সংহতি ক্লাবে ‘মিশরের প্রাচীন ধর্মীয় চিত্রকলা’, ভেনাস স্কোয়ারে এবার বালাজি মন্দির

কোচবিহারের বিগ বাজেটের পুজোগুলির মধ্যে এবার হাজরাপাড়ার সংহতি ক্লাব সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, পাটাকুড়া ক্লাব ও মর পুজো অন্যতম।

কোচবিহার: সংহতি ক্লাবে ‘মিশরের প্রাচীন ধর্মীয় চিত্রকলা’, ভেনাস স্কোয়ারে এবার বালাজি মন্দির
  • ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের বিগ বাজেটের পুজোগুলির মধ্যে এবার হাজরাপাড়ার সংহতি ক্লাব সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, পাটাকুড়া ক্লাব ও মর পুজো অন্যতম। সংহতি ক্লাবের থিম ‘মিশরের প্রাচীন ধর্মীয় চিত্রকলা’। মাটি ও রঙের অপূর্ব কারুকার্যে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে এই থিম। পাটাকুড়া ক্লাবের থিম ‘পায়ে পায়ে পুরুলিয়া’। শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ ও ছৌ নাচের আয়োজনে জমে উঠবে পুজোর দিনগুলি। আর ভেনাস স্কোয়ারের পুজোর থিম ‘উত্তরের স্পর্শে দক্ষিণের অবলোকন।’ এখানে গড়ে তোলা হচ্ছে তিরুপতি বালাজি মন্দিরের আদলে বিরাট মণ্ডপ। সংহতি ক্লাবের পুজোর এবার ৬৪তম বর্ষ। হাজরাপাড়া চৌপথিতে ক্লাবের স্থায়ী মণ্ডপে এই পুজো হচ্ছে। নান্দনিক নামে চিত্রশিল্পীদের একটি গোষ্ঠী এই মণ্ডপ সজ্জা করছে। শিল্পী শৌভিক ভৌমিক ও চিত্রশিল্পী সূর্যজ্যোতি পাল দীর্ঘদিনের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই মণ্ডপ সজ্জা করছেন। এখানকার বাজেট নয় লক্ষ টাকা। 

Advertisement

সংহতি ক্লাবের পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাজু ঘোষ বলেন, মিশরের প্রাচীন ধর্মীয় চিত্রকলা যেভাবে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে, আশা করি দর্শকদের ভালো লাগবে। এদিকে, পাটাকুড়া ক্লাবের পুজো এবারে ৭৬ বছরে পা দেবে। খড় ও ছনের ছাউনি, মাটির দেওয়াল দেওয়া বাড়ি বানিয়ে এখানে এক টুকরো পুরুলিয়ার গ্রাম দেখতে পাওয়া যাওয়া যাবে। শান্ত পল্লি এলাকায় মায়ের প্রতিমার আদল হবে ছৌ নাচের মুখোশের আদলে। পুরুলিয়া থেকে ১৫ জনের একটি ছৌ নাচের দল আসছে। এই পুজোর বাজেট ১৫ লক্ষ টাকা।
এই পুজো কমিটির বর্ষীয়ান কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ বসু বলেন, মণ্ডপ, পুজোর সজ্জা ও পরিবেশের মাধ্যমে পুরুলিয়ার এক টুকরো গ্রামীন পরিবেশকে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। 
পাটাকুড়া ক্লাবের থেকে কালিকাদাস রোড ধরে একটু এগলেই ভেনাস স্কোয়ার ক্লাবের পুজো। এই পুজো এবার ৬০ বছরে পা দেবে। অর্থাৎ, হীরক জয়ন্তী। ৭০ ফুট উচ্চতা ও ৫০ ফুট চওড়া বিরাট বাঁশের মণ্ডপ নির্মাণ করে গড়ে তোলা হচ্ছে তিরুপতি বালাজি মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। এখানে উত্তরের শিল্পীদের স্পর্শে দক্ষিণ ভারতের মন্দির তৈরি করা হচ্ছে এখানে। হোগলা পাতা, ওদলা ফল ও সুপারির খোল দিয়ে মণ্ডপের বাইরে ও ভিতরে কারুকার্য করে বালাজি মন্দিরকে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। দক্ষিণ ভারতের মূর্তির আদলে এখানে প্রতিমা নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিমা নির্মাণ করছেন স্থানীয় শিল্পী রমেশচন্দ্র পাল। চন্দননগরের আলো দিয়ে বড় দু’টি গেট সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। পুজো কমিটির সহ সম্পাদক সায়ন্তন হোড় বলেন, আমাদের পুজোয় বালাজি মন্দিরের আদলে মণ্ডপ গড়ে তোলা হচ্ছে। বাজেট ৩৫ লক্ষ টাকা।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ