ব্রাজিল-৩ : চিলি-০
(এস্তেভাও, পাকুয়েতা, গুইমারেস)
ব্রাজিল-৩ : চিলি-০
(এস্তেভাও, পাকুয়েতা, গুইমারেস)
রিও ডি জেনেইরো: ব্রাজিলের গরিমা ফেরাতে কি পারবেন কার্লো আনসেলোত্তি? সেলেকাওদের কাছে এটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। উত্তর দেওয়ার সময় হয়তো এখনও আসেনি। তবে ইতালিয়ান কোচ স্বপ্ন অবশ্যই দেখাচ্ছেন। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে বৃহস্পতিবার মারাকানায় চিলির বিরুদ্ধে দাপুটে জয়ই তার প্রমাণ। ব্রাজিলের তিন গোলদাতা যথাক্রমে এস্তেভাও, লুকাস পাকুয়েতা ও ব্রুনো গুয়েমেরাস। এই জয়ের সুবাদে বছাই পর্বে কনমেবল গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সাম্বার দেশ। ১৭ ম্যাচে সংগ্রহ ২৮ পয়েন্ট।
ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রডরিগোর মতো তারকা এই ম্যাচে ছিলেন না। তারপরও ব্রাজিলের এই দাপট সত্যিই প্রশংসনীয়। ১১জন খেলোয়াড় মিলে ডিফেন্স করেও সেলেকাওদের গতিময় ফুটবল রুখতে ব্যর্থ চিলি। ব্রাজিলের গোলের লক্ষ্যে কোনও শটই নিতে পারেননি সুয়াজো, তাপিয়ারা। উল্টোদিকে ৬৪ শতাংশেরও বেশি পজেশন রেখে প্রতিপক্ষের গোলে ২২টি শট নেন এস্তাভিওরা। তারমধ্যেই লক্ষ্যে ছিল সাতটি। ৩৮ মিনিটেই ব্রাজিলকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন এস্তাভিও। রাফিনহার শট প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক কোনওভাবে ঠেকালেও বিপন্মুক্ত করতে ব্যর্থ। ফিরতি বল বাইসাইকেল কিকে জালে জড়ান এস্তেভাও (১-০)। এরপর ৭২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাকুয়েতা (২-০)। আর তার চার মিনিট পর প্রতিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন গুইমেরাস (৩-০)। ম্যাচের পর কোচ আনসেলোত্তির মন্তব্য, ‘মারাকানার পরিবেশ অসাধারণ। ছেলেদের পারফরম্যান্সেও সন্তুষ্ট। এই ছন্দ আগামী দিনেও ধরে রাখতে হবে।’ অন্যদিকে, পেরুকে ৩-০ হারিয়ে সরাসরি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করল উরুগুয়ে। বলিভিয়াকে ৩-০ হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে কলম্বিয়াও।