Bartaman Logo
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট ছাড়াই হাড়ালে অপরিকল্পিতভাবে বাজির সেলিং হাব!

তৃণমূল সরকারের আমলে বারুইপুরের কাটাখাল বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় হাড়ালের বাজি ব্যবসায়ীদের জন্য সেলিং হাব তৈরি করা হয়েছিল।

ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট ছাড়াই হাড়ালে  অপরিকল্পিতভাবে বাজির সেলিং হাব!
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: তৃণমূল সরকারের আমলে বারুইপুরের কাটাখাল বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় হাড়ালের বাজি ব্যবসায়ীদের জন্য সেলিং হাব তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে ৪৬০টি দোকান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তৈরি হয়েছে মাত্র ৫৬টি। এই হাব সম্পূর্ণ অপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট ও কমন ফেসিলিটি সেন্টার না করেই তড়িঘড়ি হাব তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন জাতীয় তপসিলি কমিশনের সদস্য ডঃ পার্থ বিশ্বাস। তিনি বলেন, ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের জন্য জমি লাগবে। দ্রুত তা খুঁজে বের করতে হবে। এই কাজের অগ্রগতি কতটুকু এগল, তা নজরদারি করবে জাতীয় তপসিলি কমিশন। মঙ্গলবার হাড়ালে বাজি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠকে একথা বলেন পার্থবাবু।

Advertisement

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ও বারুইপুর মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিক, বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার অতীশ বিশ্বাস, বারুইপুর থানার আইসি শান্তনু মিত্র সহ দমকল ও ক্ষুদ্র শিল্প দপ্তরের প্রতিনিধিরা। বৈঠকে জাতীয় তপসিলি কমিশনের সদস্য ডঃ পার্থ বিশ্বাস বলেন, সেলিং হাব তৈরি করা হলেও ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট তৈরি করা হয়নি। এই ইউনিট গড়ার জন্য যে জমি রয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। আরও জমি দরকার। বাজি ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৮০ শতাংশই তপসিলি জনগোষ্ঠীর। তাঁদের জীবন জীবিকা দেখার দায়িত্ব জাতীয় কমিশনের। তাই বাজি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসা। তিনি বলেন, বাজি ব্যবসায়ীদের প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে। যাঁরা আড়ালে নিষিদ্ধ বাজি তৈরি করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক রং না দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা সরলীকরণ করতে হবে। প্রশাসনের দরজায় ব্যবসায়ীরা ঘুরবেন, এটা হবে না।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ