Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

আমেরিকায় জন্মালেই আর আমেরিকান নন! জন্মসূত্রের নাগরিকত্ব আইন বদলের পরিকল্পনা ট্রাম্পের

আমেরিকায় জন্মালেই আর আমেরিকান নন! জন্মসূত্রের নাগরিকত্ব আইন বদলের পরিকল্পনা ট্রাম্পের
  • ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
ওয়াশিংটন, ১১ ডিসেম্বর: নাগরিকত্ব আইনে এবার বড়সড় রদবদল আসতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। জন্মসূত্রেই নাগরিকত্ব আইন বদল করার হুঙ্কার দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার সংবিধান অনুযায়ী, সে দেশে যদি কোনও শিশু জন্মগ্রহণ করে, তা হলে তাকে একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে সদ্যোজাতটির বাবা-মায়ের নাগরিকত্বের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক থাকে না।
Advertisement
ট্রাম্পের মতে, এই ধরনের আইন হাস্যকর এবং ভিত্তিহীন। আমেরিকার একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর আমার প্রথম লক্ষ্য হবে জন্মসূত্রের নাগরিকত্ব আইনে বদল আনা। কারণ, এই আইন অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বার্থ টুরিজমকে (সন্তানের জন্ম দিতে অন্য কোনও দেশে যাওয়া ও সদ্যোজাতের জন্য সে দেশের দ্বিতীয় নাগরিকত্ব নেওয়ার প্রবণতা) উৎসাহিত করে।” তবে জন্মসূত্রের নাগরিকত্ব আইনটি সংবিধান সম্মত এবং আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা সমর্থিত। তাই এই আইনে বদল আনা যে খুব একটা সহজ হবে না তা-ও স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, আমেরিকায় বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছেন ট্রাম্প। দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর তিনি দেশে বেআইনি অনুপ্রবেশকে যে কড়া হাতে দমন করবেন, তা একরকম স্পষ্ট করেই দিয়েছেন রিপাবলিকান এই নেতা।
আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, সে দেশে এক কোটিরও বেশি সংখ্যক বেআইনি অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন। তবে ট্রাম্পের আশ্বাস, যে সমন্ত বাসিন্দারা ছোটবেলায় অন্য দেশ থেকে আমেরিকায় এসেছিলেন, এখন তাঁরা মধ্যবয়স্ক কিংবা প্রবীণ। তাই তাঁদের পাশেই থাকবে সরকার।
প্রসঙ্গত, বিপুল জনসমর্থন পেয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে ট্রাম্পের। আগামী ২০ জানুয়ারি তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। একযোগে সেনেট, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও হোয়াইট হাউসের ‘ত্রিফলা’ জয়ে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দখল করেছে রিপাবলিকান শিবির। এমনকী আমেরিকার সবকটি ‘সুইং স্টেট’ও গিয়েছে ট্রাম্পের ঝুলিতেই। বিপুল এই জয়ের পর আমেরিকায় ‘স্বর্ণযুগ’ আনার প্রতিশ্রুতি শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়। ‘ঐতহাসিক’ এই জয়কে সর্বকালের সেরা রাজনৈতিক আন্দোলন বলেও আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প।
সম্পর্কিত সংবাদ