Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে পাঁচ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি ক্ষতি আমেরিকার

যুদ্ধ হলে দু’পক্ষেরই ক্ষতি। এই সরল সত্যিটা মানতে চাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বরং বারবার ইরানের বিপুল ক্ষতি নিয়ে আস্ফালন করেছিলেন তিনি।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে পাঁচ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি ক্ষতি আমেরিকার
  • ৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: যুদ্ধ হলে দু’পক্ষেরই ক্ষতি। এই সরল সত্যিটা মানতে চাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বরং বারবার ইরানের বিপুল ক্ষতি নিয়ে আস্ফালন করেছিলেন তিনি। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটাই চেনা চিত্র। নিজেদের কিছু ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার করেছিলেন বটে। তবে তা ছিল হিমশৈলের চূড়া মাত্র। প্রকৃত ক্ষতির বহর অনেক বেশি। প্রায় ৫ হাজার কোটি ডলার। পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ক্ষয়ক্ষতির ১০০-র বেশি উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করেছে ইরান। সেই চিত্র বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২৮টি মার্কিন পরিকাঠামো এবং যুদ্ধ সামগ্রীর উপর হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের দিক থেকে যে এই বিপুল ক্ষতি হতে পারে, তা আন্দাজ করতে পারেনি পেন্টাগন। 

Advertisement

ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় কি নেই? বিমানের হ্যাঙ্গার, সেনা বারাক, জ্বালানি ভরার ডিপো, যুদ্ধ বিমান, রেডার, যোগাযোগ এবং প্রতিরক্ষা সামগ্রী। বেশ কয়েকটি সেনাঘাঁটির এমন হাল হয়েছে যে, তা চিরকালের মতো ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পশ্চিম এশিয়া তাক করে রয়েছে দুই মার্কিন বেসরকারি সংস্থা ‘ভেন্টর’ এবং ‘প্ল্যানেট’-এর কৃত্রিম উপগ্রহ। সাময়িকভাবে তাদের ছবি প্রকাশ করতে নিষেধ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য আটকে রাখা গেল না।
ইরানের হামলায় ক্ষতি হয়েছে আমেরিকার সবচেয়ে গর্বের নৌবহর ফিফ্থ ফ্লিটের। বাহরিনে রয়েছে এর সদর দপ্তর। এছাড়াও তিনটি ঘাঁটি রয়েছে কুয়েতে। সর্বত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এখানে মোতায়েন পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং পাঁচটি তৈল ভাণ্ডার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কাতার বায়ুসেনা ঘাঁটিতে উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জর্ডন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মার্কিন ঘাঁটির রেডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। 
এছাড়াও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে এবং তল্লাশি অভিযানে ৪০টি ড্রোন ও যুদ্ধ বিমান খুইয়েছে আমেরিকা। এরমধ্যে রয়েছে ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। যার এক একটির মূল্য প্রায় ৩ কোটি ডলার। যুদ্ধে খোয়ান এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনের দাম দুই থেকে আড়াই কোটি ডলার। 

সম্পর্কিত সংবাদ