Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হুগলিতে ‘আমাদের পাড়া’ কর্মসূচি, ১৩ হাজার প্রকল্পের অনুমোদন

‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচিতে হুগলিতে ১৩ হাজার প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য। তারমধ্যে এখনই প্রায় ১৪০০ প্রকল্পের কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

হুগলিতে ‘আমাদের পাড়া’ কর্মসূচি, ১৩ হাজার প্রকল্পের অনুমোদন
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচিতে হুগলিতে ১৩ হাজার প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য। তারমধ্যে এখনই প্রায় ১৪০০ প্রকল্পের কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন ব্লকেই কাজ শুরু হয়েছে। পুরসভাগুলিতেও যাতে দ্রুত কাজ এগয় তার নির্দেশ দিয়েছে হুগলি জেলা প্রশাসন। 

Advertisement

হুগলির অতিরিক্ত জেলাশাসক(জেলা পরিষদ) অনুজপ্রতাপ সিং বলেন, সম্প্রতি জেলায় ১৩ হাজার প্রকল্পের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। তারমধ্যে ১৪০০ প্রকল্পের কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সারা রাজ্যের মধ্যে কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে হুগলি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। টেন্ডারের ভিত্তিতে প্রতি বুথ পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ দিচ্ছে রাজ্য। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পরই হুগলি জেলা সহ আরামবাগ মহকুমায় ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি চালু হয়। মাস খানেক ধরে গ্রামে গ্রামে তা করেছে প্রশাসন। অন্তত দু’থেকে তিনটি বুথ নিয়ে শিবিরগুলি হয়। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার নানা সমস্যা, দাবি নিয়ে শিবিরগুলিতে যান। প্রশাসন সেই সব দাবি লিপিবদ্ধ করে। তারপর গুরুত্বপূর্ণ কাজকে অগ্রাধিকার দিয়ে টেন্ডার করা হচ্ছে। 
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়ার পর অনেক জায়গাতেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। দ্রুত যাতে কাজগুলি শেষ হয় সেই দিকে নজর রাখা হচ্ছে। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বুথে ঢালাই রাস্তা, হাইমাস্ট লাইট, পানীয় জলের সাব মার্সিবল পাম্প, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সংস্কার, স্কুল ভবনের সংস্কার প্রভৃতি কাজ ধরা হয়ে পাড়া সমাধান কর্মসূচি থেকে। প্রশাসনের দাবি, বাসিন্দাদের দাবিমতো কাজগুলি হওয়ায় জেলা উন্নয়নের নিরিখে আরও এগিয়ে যাবে। 
‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি রূপায়ণের ফল ভোটে কি প্রভাব ফেলবে? তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। গোঘাট-১ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তৃণমূলের প্রদীপ রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মনের কথা জেনে গ্রামে উন্নয়ন করার উপর জোর দিয়েছেন। সেইমতো শিবিরগুলিতে বাসিন্দারা ভিড় জমিয়ে নানা দাবি, সমস্যার কথা জানিয়েছেন। এখন তাঁদের পছন্দ মতোই কাজ হচ্ছে এলাকায়। গ্রামে গ্রামে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকায় মানুষ আমাদের পাশেই থাকবেন। ভোটে উন্নয়নই আমাদের হাতিয়ার। 
বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুশান্ত বেরা বলেন, বুথ পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া নিয়ে ঘোষণার পিছনে আদতে তৃণমূলের পকেট ভরার কৌশল হয়েছে। মানুষের চোখে ধুলো দিতে এইসব প্রকল্পের নাটক চলছে। এতে ভোটে কোনও প্রভাব পড়বে না। মানুষ বিজেপিকে বেছে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ