সংবাদদাতা তারকেশ্বর: সরকারি হাসপাতালে পিপিপি মডেলে তৈরি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্টে বড়সড় ভুল। এই অভিযোগে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ স্বাস্থ্যদপ্তরের। তদন্ত শেষে গ্রেপ্তার সেন্টারের মালিক। ধৃতের নাম গগনচন্দ্র হালদার। এই ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থা এক নাবালিকার। দীর্ঘ চিকিৎসার পর কোনওরকমে প্রাণে বাঁচানো গিয়েছে তাকে।
Advertisement
২০২৪ সালের ২৪ জুন পেট ব্যথা, বমি ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ১১ বছরের ওই নাবালিকাকে। সে তারকেশ্বর বাজিতপুরের বাসিন্দা। চিকিৎসকের পরামর্শে ২৯ জুন হাসপাতালের মধ্যে অবস্থিত পিপিপি মডেলে তৈরি ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করা হয়। রিপোর্টে দেখা যায়, লিভার সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে মেয়েটির। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাকে। সেখানে ফের আলট্রাসোনোগ্রাফি হয়। সেখানকার রিপোর্টে উঠে আসে, মেয়েটির অ্যাপেনডিক্সে সমস্যা। তড়িঘড়ি অস্ত্রোপচারের প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু তার আগেই ফেটে যায় অ্যাপেনডিক্স। ক্রমে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তবে চিকিৎসার কারণে আশঙ্কাজনক অবস্থা থেকে কোনওক্রমে প্রাণে বেঁচে যায় সে। এরপর হাসপাতালের পিপিপি মডেলের ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান রোগীর পরিজনরা। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে অভিযোগও দায়ের করেন।
স্বাস্থ্যদপ্তর বিভাগীয় তদন্ত শুরু করে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আলট্রাসোনোগ্রাফি রিপোর্টে যিনি স্বাক্ষর করেছেন বলে উল্লেখ রয়েছে সেই চিকিৎসক সইয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে। তাহলে চিকিৎসক হিসেবে সই করে রিপোর্ট দিলেন কে? এর উত্তর খুঁজতে স্বাস্থ্যদপ্তর বিভাগীয় তদন্ত শুরু করে। তারপর ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর পুলিসকেও তদন্ত করতে বলে। পুলিস গগনচন্দ্রকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ইতিমধ্যে গগন আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। তারপর তারকেশ্বর থানা তেঘরীর বাসিন্দা গগনকে গ্রেপ্তার করে।
ধৃতকে শনিবার চন্দননগর আদালতে তোলা হলে দু’দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। অভিযুক্তের যদিও বক্তব্য, ‘রিপোর্ট ভুল নয়। জল থাকার কারণে দৃশ্যমান হয়নি অ্যাপেনডিক্স। সে কথাটিই লেখা রয়েছে। যে ডাক্তারবাবু আলট্রাসোনোগ্রাফির রিপোর্টে সই করেছিলেন তিনি এখন সে কথা অস্বীকার করছেন। আর আমার পরিবর্তে ওই ডাক্তারের বক্তব্যকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আমি সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করি। এ ক্ষেত্রে আমার কোনও দোষ নেই। তাই আমি পালিয়ে যাইনি।’
স্বাস্থ্যদপ্তর বিভাগীয় তদন্ত শুরু করে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আলট্রাসোনোগ্রাফি রিপোর্টে যিনি স্বাক্ষর করেছেন বলে উল্লেখ রয়েছে সেই চিকিৎসক সইয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে। তাহলে চিকিৎসক হিসেবে সই করে রিপোর্ট দিলেন কে? এর উত্তর খুঁজতে স্বাস্থ্যদপ্তর বিভাগীয় তদন্ত শুরু করে। তারপর ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর পুলিসকেও তদন্ত করতে বলে। পুলিস গগনচন্দ্রকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ইতিমধ্যে গগন আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। তারপর তারকেশ্বর থানা তেঘরীর বাসিন্দা গগনকে গ্রেপ্তার করে।
ধৃতকে শনিবার চন্দননগর আদালতে তোলা হলে দু’দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। অভিযুক্তের যদিও বক্তব্য, ‘রিপোর্ট ভুল নয়। জল থাকার কারণে দৃশ্যমান হয়নি অ্যাপেনডিক্স। সে কথাটিই লেখা রয়েছে। যে ডাক্তারবাবু আলট্রাসোনোগ্রাফির রিপোর্টে সই করেছিলেন তিনি এখন সে কথা অস্বীকার করছেন। আর আমার পরিবর্তে ওই ডাক্তারের বক্তব্যকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আমি সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করি। এ ক্ষেত্রে আমার কোনও দোষ নেই। তাই আমি পালিয়ে যাইনি।’



