সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: আলুগাছের ডাঁটা পচা রোগ নিয়ে কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিল কৃষিদপ্তর। টানা কয়েক দিনের কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় আলুচাষ। জেলার বেশিরভাগ ব্লকে আলুজমির কিছু অংশে এই ডাঁটা পচা রোগ দেখা যায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কৃষকরা। তাঁদের আতঙ্ক কাটাতে বুধবার থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিদর্শন শুরু করেছেন কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁরা কৃষকদের সঙ্গে কথাও বলছেন।
Advertisement
কৃষকরা জানান, আলুগাছ এই বছর খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ গত কয়েক দিনের কুয়াশায় একটু বড় হওয়া গাছগুলিতে ডাঁটা পচা রোগ এসেছে। ফসল ফলতে আর কিছুদিন বাকি। এর মধ্যে গাছের ক্ষতি হলে সমস্যায় পড়ব আমরা। কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা জমি পরিদর্শন করেছেন। আশা করি এই সমস্যার সমাধান হবে।
এনিয়ে জেলা কৃষিদপ্তর থেকে জানানো হয়, বেশির ভাগ আলুগাছের বয়স ৬০ দিনের বেশি। এবার নাবি ধ্বসা রোগের প্রাদুর্ভাব নেই বললেই চলে। তবে গত কয়েক দিনের মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার জন্য কিছু কিছু জায়গায় ডাঁটা পচা রোগ দেখা যাচ্ছে। এই রোগের জীবাণু মাটিবাহিত। দেখা যাচ্ছে, যেসব জমিতে কৃষক ভাইয়েরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মাত্রায় নাইট্রোজেন সার দিয়েছেন, সেখানে আলুগাছ এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়েছে। জলসেচ দিলে এই রোগ ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
কৃষিদপ্তর জানাচ্ছে, আপাতত এক সপ্তাহের জন্যে জলসেচ দেওয়া যাবে না। কোনও নাইট্রেজেন ঘটিত সারও দেওয়া যাবে না। রোগগ্রস্ত জমিতে ফলন খুব সামান্য কমতে পারে। কৃষকভাইদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।
এনিয়ে জেলা কৃষিদপ্তর থেকে জানানো হয়, বেশির ভাগ আলুগাছের বয়স ৬০ দিনের বেশি। এবার নাবি ধ্বসা রোগের প্রাদুর্ভাব নেই বললেই চলে। তবে গত কয়েক দিনের মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার জন্য কিছু কিছু জায়গায় ডাঁটা পচা রোগ দেখা যাচ্ছে। এই রোগের জীবাণু মাটিবাহিত। দেখা যাচ্ছে, যেসব জমিতে কৃষক ভাইয়েরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মাত্রায় নাইট্রোজেন সার দিয়েছেন, সেখানে আলুগাছ এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়েছে। জলসেচ দিলে এই রোগ ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
কৃষিদপ্তর জানাচ্ছে, আপাতত এক সপ্তাহের জন্যে জলসেচ দেওয়া যাবে না। কোনও নাইট্রেজেন ঘটিত সারও দেওয়া যাবে না। রোগগ্রস্ত জমিতে ফলন খুব সামান্য কমতে পারে। কৃষকভাইদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।



