সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: আগেও অভিযোগ হয়েছিল। তদন্ত হয়নি বলে অভিযোগ। পালাবদলের পর ফের সাহাপুর মত্স্যজীবী সমবায়ের দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানিয়ে পোস্টার পড়েছে। এর এতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে পুরাতন মালদহ ব্লকে। ৩ নম্বর বিমল দাস কলোনির সাহাপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সিংহভাগ সদস্যকে অন্ধকারে রেখে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। সমিতির প্রাক্তন ম্যানেজার সুকুমার দে দাস এবং সম্পাদক শম্ভু হালদারের দিকে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা। গত কয়েক বছর ধরে শম্ভুর হদিশও মিলছে না। পলাতক। সমবায় সমিতির ঘরও দু’বছর ধরে তালাবন্ধ। যদিও সমিতির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুকুমার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, আমি কিছু বিক্রি করিনি। শম্ভু করেছে। এসব করে তিনি পালিয়ে গিয়েছেন। মালদহ জেলা মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক অঞ্জন বসু বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে দেখব।
আড়াই দশক আগে সাহাপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি গঠিত হয়। সেখানে আগে অন্তত ৪০০ সদস্য ছিলেন। সমবায় সমিতির নামে রায়পুর এবং বাইপাসে অনেক জমি, পুকুর ছিল। বর্তমানে যার দাম কয়েক কোটি টাকা। গত কয়েক মাস আগে সমিতির সদস্যরা জানতে পারেন, সেগুলি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সদস্যদের অভিযোগ, রেজোলিউলেশন করার জন্য সদস্যদের সই খাতার ফাঁকা পৃষ্ঠায় নেওয়া হতো। পরে সদস্যদের অন্ধকারে রেখে জমি, পুকুর বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সমিতির সদস্য কালাচাঁদ হালদার বলেন, সমিতির নামে বাগান ছিল। সব বিক্রি করে দিয়েছে। আমরা কেউ জানতাম না। এর আগে আমরা প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে গিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। এখন নতুন সরকার এসেছে। আশা করি এই অনিয়ম খতিয়ে দেখা হবে। এলাকার বাসিন্দা কুশিনাথ হালদার বলেন, আমরা তদন্ত চাই।
স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শংকর মণ্ডল বলেন, সদস্যরা ন্যায্য দাবি করছেন। পোস্টার পড়েছে। সমিতির বহু সম্পত্তি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এর তদন্ত হওয়া উচিত। নিজস্ব চিত্র