Bartaman Logo
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কুশমণ্ডি এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং সোসাইটিতে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

কুশমণ্ডি এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং সোসাইটিতে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে

কুশমণ্ডি এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং সোসাইটিতে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ
  • ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশমণ্ডি এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং সোসাইটিতে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সমবায় দপ্তরের বিভাগীয় তদন্তে আর্থিক অনিয়মের একাধিক অভিযোগ উঠে আসার পর প্রাক্তন দুই চেয়ারম্যান এবং তৎকালীন সিনিয়র ম্যানেজারের বিরুদ্ধে কুশমণ্ডি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা বলেই এলাকায় পরিচিত। 

Advertisement

সমবায় দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সমবায়ের আর্থিক লেনদেন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ উঠছিল। সরকার পরিবর্তনের পর সমবায়মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জমা পড়লে জেলা ও রাজ্যস্তরের বিশেষ দল আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করে। সেখানে বেশ কয়েক জনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
তদন্তে সমবায়ের কর্মীদের বেতন বাবদ অগ্রিম অর্থ প্রদান, দুটি পেট্রোল পাম্প ও দুটি হিমঘরের লোকসান দেখিয়ে আর্থিক অনিয়ম, কর্মীদের পিএফের প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকা নিয়ে গরমিল, দরপত্র ছাড়াই সফটওয়্যারের মাধ্যমে আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সরকারি সহায়তার প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা নয় ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি সমবায়ের একাধিক জায়গা বিক্রির বিষয়টিও তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। জেলা সমবায় দফতরের নির্দেশে গত মঙ্গলবার কুশমণ্ডি ব্লক সার্কেল ইন্সপেক্টর চিত্রা রায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সমবায় দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিভাগীয় তদন্তে তিনজনের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। থানায় অভিযোগের পর বাকি তদন্ত পুলিশের হাতে।
এদিকে, অভিযোগ দায়েরের পাঁচ দিন পরেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তিন অভিযুক্তের মধ্যে একজন হাসপাতালে ভর্তি এবং অন্যজন দু’জন এলাকা ছেড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ