নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রেপো রেট কমেছে। তার জেরে প্রত্যাশিতভাবেই কমতে শুরু করেছে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের গাড়ি-বাড়ির ঋণের উপর ধার্য সুদের হার। যা মূল্যবৃদ্ধির তীব্র আবহে ঋণগ্রহীতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক। অন্যদিকে, রেপো রেট কমলে আসে দুঃসংবাদও। কারণ তখন ফিক্সড ডিপোজিট, সেভিংস ডিপোজিট, রেকারিং ডিপোজিটের সুদ কমাতে শুরু করে ব্যাঙ্ক সহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি। কমে যায় স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হারও। যা লগ্নির ক্ষেত্রে ঝুঁকি নিতে বিমুখ মধ্যবিত্তের জন্য মোটেই সুসংবাদ নয়। সমস্যায় পড়েন প্রবীণ নাগরিকরাও।
Advertisement
এই আবহে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক আশা করছে ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিটের আকাল কমবে আগামী আর্থিক বছরে। কারণ বাজেটে আয়কর ছাড়। সরকারের দাবি, এবার বিপুল আয়কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। তার জেরে অন্তত সাধারণ মানুষের হাতে বেশ কিছু অর্থ উদ্বৃত্ত হবে। আর সেই টাকা তারা আবার ব্যাঙ্কে রাখবে। আগামী আর্থিক বছরে এভাবে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যাঙ্কিং সেক্টরে আসতে চলেছে বলে মনে করছে অর্থমন্ত্রক।
আয়কর ছাড় দিয়ে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার লোকসান হবে বলে সরকারের পরিসংখ্যান। বিরোধীদের প্রশ্ন, এই টাকা সরকার কোথা থেকে রাজকোষে ফেরাবে, সেটাও জানা দরকার। অর্থমন্ত্রক সূত্রের খবর, আয়কর ছাড় দেওয়ায় যে উদ্বৃত্ত অর্থ থাকবে মধ্যবিত্তের হাতে তার কিয়দংশ যেমন কেনাকাটার মাধ্যমে বাজারে আসবে, আবার বাকিটা জমবে ব্যাঙ্কে। বাজারে আসা মানে জিএসটি থেকে আয় বৃদ্ধি পাবে সরকারের। সুতরাং অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে মধ্যবিত্তের উপরই নির্ভর করছে কেন্দ্র।
আয়কর ছাড় দিয়ে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার লোকসান হবে বলে সরকারের পরিসংখ্যান। বিরোধীদের প্রশ্ন, এই টাকা সরকার কোথা থেকে রাজকোষে ফেরাবে, সেটাও জানা দরকার। অর্থমন্ত্রক সূত্রের খবর, আয়কর ছাড় দেওয়ায় যে উদ্বৃত্ত অর্থ থাকবে মধ্যবিত্তের হাতে তার কিয়দংশ যেমন কেনাকাটার মাধ্যমে বাজারে আসবে, আবার বাকিটা জমবে ব্যাঙ্কে। বাজারে আসা মানে জিএসটি থেকে আয় বৃদ্ধি পাবে সরকারের। সুতরাং অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে মধ্যবিত্তের উপরই নির্ভর করছে কেন্দ্র।



