Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খাদিম কর্তা অপহরণে বেকসুর খালাস আখতার

খাদিম কর্তা অপহরণ কাণ্ডে জেলবন্দি আখতার হোসেনকে বেকসুর মুক্তি দিল হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে বর্তমানে তিনি যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজাপ্রাপ্ত।

খাদিম কর্তা অপহরণে বেকসুর খালাস আখতার
  • ২৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খাদিম কর্তা অপহরণ কাণ্ডে জেলবন্দি আখতার হোসেনকে বেকসুর মুক্তি দিল হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে বর্তমানে তিনি যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজাপ্রাপ্ত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সাব্বার রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ আখতারকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়েছে। খাদিম কর্তা অপহরণে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর আখতার-সহ মোট আটজনকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত ।

Advertisement

আখতারের আইনজীবীর দাবি, ২০০১ সালের ২৫ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ খাদিম গ্রুপের অন্যতম কর্ণধার পার্থপ্রতিম রায়বর্মনকে অপহরণ করা হয়। তাঁদের তপসিয়া রোডের গোডাউনে যাওয়ার সময় কয়েকজন সশস্ত্র দুষ্কৃতী অপহরণ করে। খাদিম কর্তার গাড়িচালক নবকুমার মণ্ডল প্রথমে পরমা তদন্ত কেন্দ্রে অপহরণের অভিযোগ জানান। পরে পার্থর ভাই সিদ্ধার্থ রায়বর্মন তিলজলা থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। হাইকোর্টে তাঁর আইনজীবী জানান, অপহরণের মামলায় তাঁর মক্কেল আখতারের নাম চার্জশিটে ছিল। কিন্তু আখতার পলাতক ছিলেন। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
পুলিসের দাবি, অপহরণের পরে পার্থপ্রতিম রায়বর্মনকে হাড়োয়ার ভূতবাংলোয় রাখা হয়েছিল। ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে ছাড়া হয় খাদিম-কর্তাকে। ৫ কোটি টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল। ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, যে বন্দুক দিয়ে খাদিম কর্তার হাতে গুলি করা হয়, সেটি আখতারই সরবরাহ করেছিলেন এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। আখতার ভূতবাংলোয় খাদিম কর্তার পাহারায় ছিলেন বলেও প্রমাণ মেলেনি। এছাড়া কোনও সাক্ষীও তাঁকে শনাক্ত করতে পারেননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ