নয়াদিল্লি: জয় নিশ্চিত ছিলই। প্রয়াত এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের আসন বারামতী থেকে রেকর্ড ভোটে জিতলেন সুনেত্রা পাওয়ার। ২ লক্ষ ১৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পিছনে ফেললেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে পিছনে ফেললেন অজিত-পত্নী। মহারাষ্ট্রের রাহুরি আসনের উপনির্বাচনেও জিতল মহাজুতি। নাগাল্যান্ডের কোরিদাং, গুজরাতের উমেরেঠ ও ত্রিপুরার ধর্মনগরের উপনির্বাচনে জয় গেরুয়া শিবিরের। অন্যদিকে কর্ণাটকের দুটি আসনের উপনির্বাচনেই জিতেছে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস।
চলতি বছরের শুরুতেই বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান অজিত উপনির্বাচনে তাঁর শূন্য আসন বারামতীতে প্রার্থী হয়েছিলেন স্ত্রী সুনেত্রা। তার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেয়নি কংগ্রেস-শিবসেনার (উদ্ধব) জোট। তবে ২ লক্ষাধিক ভোটে জিতলেও কোনো বিজয় উৎসব হবে না বলে জানিয়েছেন অজিত-পুত্র জয়। তিনি বলেন, ‘পাশের তহসিল ভোরে একটি অবাঞ্চিত ঘটনা ঘটেছে (৪ বছরের শিশুকন্যার ধর্ষণ ও খুন)। তাই আমরা এই জয় উদযাপন করতে চাই না।’ বিধায়ক শিবাজিরাও কারদিলের মৃত্যুর কারণে রাহুরি আসনের উপনির্বাচনেও জিতল মহাযুতি । একপেশে লড়াইয়ে শারদপন্থী এনসিপি প্রার্থী গোবিন্দ মোকাটেকে এক লক্ষ ১২ হাজারেরও বেশি ভোটে হারিয়েছেন প্রয়াত বিধায়কের ছেলে তথা বিজেপি প্রার্থী অক্ষয়।
গুজরাতের উমরেঠ আসনের বিজেপি বিধায়ক গোবিন্দ পারমারের মৃত্যুতে উপনির্বাচন হয়েছিল। সেখানে কংগ্রেস প্রার্থী ভ্রুগুরাজসিং চৌহানকে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছেন গোবিন্দের পুত্র হর্ষদ পারমার। ত্রিপুরা বিধানসভার স্পিকার বিশ্ববন্ধু সেনের মৃত্যুতে উপনির্বাচন হয়েছিল ধর্মনগর কেন্দ্রে। সেখানে প্রায় ১৯ হাজার ভোটে জিতলেন বিজেপি প্রার্থী জহর চক্রবর্তী। তার নিকটতম প্রতিদন্দ্বী সিপিএমের অমিতাভ দত্ত। নাগাল্যান্ডের কোরিদাং আসনে তিন হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী দাওচের ইমচেন।
অন্যদিকে কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকের দুটি আসনেই জিতল শাসকদল। কংগ্রেস বিধায়ক এইচ ওয়াই মেতি (বাগলকোট) ও শামানুর শিবাসনকারাপ্পা (দেবানাগিরি দক্ষিণ)-এর মৃত্যুতে উপনির্বাচন হয়েছিল এই রাজ্যে। দুই কেন্দ্রেই প্রয়াত দুই বিধায়কের পুত্রদের প্রার্থী করেছিল কংগ্রেস। বাগলকোটে উমেশ মেতি ২২ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছেন। অন্যদিকে দেবানাগিরি দক্ষিণে কংগ্রেস প্রার্থী সামর্থ্য মল্লিকার্জুন জিতেছেন ৫ হাজারেরও বেশি ভোটে।