নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অপেক্ষার অবসান ঘটল। আজ বৃহস্পতিবার থেকেই দেউচা-পাচামিতে চালু হতে চলেছে ব্যাসাল্ট (ভলক্যানিক পাথরের বড়সড় স্তর) উত্তোলনের কাজ। এশিয়ার সর্ববৃহৎ ও পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা রিজার্ভ বা ব্লক দেউচা-পাচামিতে কয়লা উত্তোলনের ক্ষেত্রে রাজ্যকে অনেকগুণ এগিয়ে দিল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।
Advertisement
বুধবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, ‘দেউচা-পাচামিতে আগামীকাল থেকেই ব্যাসাল্ট উত্তোলন শুরু হবে। এখানে যা কয়লা রয়েছে, তাতে আগামী ১০০ বছর বিদ্যুতের খামতি থাকবে না। আবার প্রচুর অনুসারী শিল্পও গড়ে উঠবে। এখানে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। যদি কোনও শিল্প সংস্থা এখানে বিনিয়োগ করতে চান, তাহলে আমার মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’
উত্তোলনের কাজ শুরু করার ক্ষেত্রে সমস্ত কাজ সম্পূর্ন হয়ে গিয়েছে বলেও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। এমনকী জমি সংক্রান্ত সমস্ত প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, প্রথম পর্যায় ৩২৬ একর জমিতে ব্যাসাল্ট উত্তোলনের কাজ শুরু হবে। পরবর্তীকালে আরও ৫০ একর জমিতে এই কাজ হবে। যে এলাকায় ব্যাসাল্ট উত্তোলন হবে, সেখানে মাটির নীচে ১০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে ব্যাসাল্ট রয়েছে বলেও পরীক্ষায় উঠে এসেছে। এই এলাকায় ব্যাসল্ট তোলার কাজ চলবে প্রায় এক বছর। তার পর এখানেই ওপেন কাস্ট মাইনিং করে কয়লা উত্তোলন হবে বলেও জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেউচা-পাচামিতে ৩৪০০ একর জমিজুড়ে সম্পূর্ণ কর্মকাণ্ড চলবে। নিশ্চিত হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ও অন্তত এক লক্ষ কর্মসংস্থান। ওপেন কাস্ট মাইনিংয়ের পাশাপাশি একটি বড় এলাকা জুড়ে চলবে আন্ডারগ্রাউন্ড কোল মাইনিংও। আন্ডারগ্রাউন্ড কোল মাইনিং দ্রুত শুরু করার উদ্দেশ্যে ২০ ডিসেম্বর গ্লোবাল টেন্ডার বা এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্টও (ইওআই) চেয়েছে রাজ্য সরকার। দেউচা-পাচামি-দেওয়ানগঞ্জ-হরিণসিংহ কয়লা খনি প্রকল্পের জন্য বিস্তারিত নকশা, পরিকল্পনা (খনির পরিকল্পনা এবং ডিপিআর প্রস্তুতি), সর্বাধিক সম্ভাব্য কয়লা সম্পদ খনন বা নিষ্কাশনের পদ্ধতি, প্রযুক্তি, অতীত অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তা, নিরীক্ষিত হিসাব আগ্রহী শিল্প সংস্থার থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। ভূতাত্ত্বিক রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই এই গ্লোবাল ইওআই ডাকা হয়েছে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।
ব্যাসল্ট উত্তোলনের কারণে ৭১.৫ শতাংশ রাজস্বও আসবে উন্নয়ন নিগমের কোষাগারে। প্রায় দু’হাজার একরের বেশি জমিতে হবে আন্ডারগ্রাউন্ড কোল মাইনিং। আর এক হাজার একরে আন্ডারগ্রাউন্ড কোল গ্যাসিফিকেশনের উদ্যোগও নেওয়া হবে। তিনটি ক্ষেত্রের কাজই একই সঙ্গে যাতে চালানো যায়, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে রাজ্য পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও সূত্রের খবর। ছবি: অতূণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তোলনের কাজ শুরু করার ক্ষেত্রে সমস্ত কাজ সম্পূর্ন হয়ে গিয়েছে বলেও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। এমনকী জমি সংক্রান্ত সমস্ত প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, প্রথম পর্যায় ৩২৬ একর জমিতে ব্যাসাল্ট উত্তোলনের কাজ শুরু হবে। পরবর্তীকালে আরও ৫০ একর জমিতে এই কাজ হবে। যে এলাকায় ব্যাসাল্ট উত্তোলন হবে, সেখানে মাটির নীচে ১০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে ব্যাসাল্ট রয়েছে বলেও পরীক্ষায় উঠে এসেছে। এই এলাকায় ব্যাসল্ট তোলার কাজ চলবে প্রায় এক বছর। তার পর এখানেই ওপেন কাস্ট মাইনিং করে কয়লা উত্তোলন হবে বলেও জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেউচা-পাচামিতে ৩৪০০ একর জমিজুড়ে সম্পূর্ণ কর্মকাণ্ড চলবে। নিশ্চিত হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ও অন্তত এক লক্ষ কর্মসংস্থান। ওপেন কাস্ট মাইনিংয়ের পাশাপাশি একটি বড় এলাকা জুড়ে চলবে আন্ডারগ্রাউন্ড কোল মাইনিংও। আন্ডারগ্রাউন্ড কোল মাইনিং দ্রুত শুরু করার উদ্দেশ্যে ২০ ডিসেম্বর গ্লোবাল টেন্ডার বা এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্টও (ইওআই) চেয়েছে রাজ্য সরকার। দেউচা-পাচামি-দেওয়ানগঞ্জ-হরিণসিংহ কয়লা খনি প্রকল্পের জন্য বিস্তারিত নকশা, পরিকল্পনা (খনির পরিকল্পনা এবং ডিপিআর প্রস্তুতি), সর্বাধিক সম্ভাব্য কয়লা সম্পদ খনন বা নিষ্কাশনের পদ্ধতি, প্রযুক্তি, অতীত অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তা, নিরীক্ষিত হিসাব আগ্রহী শিল্প সংস্থার থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। ভূতাত্ত্বিক রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই এই গ্লোবাল ইওআই ডাকা হয়েছে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।
ব্যাসল্ট উত্তোলনের কারণে ৭১.৫ শতাংশ রাজস্বও আসবে উন্নয়ন নিগমের কোষাগারে। প্রায় দু’হাজার একরের বেশি জমিতে হবে আন্ডারগ্রাউন্ড কোল মাইনিং। আর এক হাজার একরে আন্ডারগ্রাউন্ড কোল গ্যাসিফিকেশনের উদ্যোগও নেওয়া হবে। তিনটি ক্ষেত্রের কাজই একই সঙ্গে যাতে চালানো যায়, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে রাজ্য পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও সূত্রের খবর। ছবি: অতূণ বন্দ্যোপাধ্যায়



