নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আজ, মঙ্গলবার শীতলা মায়ের স্নানযাত্রা। এটি উত্তর হাওড়ার অন্যতম বড় উৎসব। সাধারণত এই দিনটিতে শোভাযাত্রার কারণে প্রতি বছরই স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা উত্তর হাওড়া। এদিকে আজ রয়েছে মাধ্যমিকের দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষা। সেকারণেই বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিস। স্নানযাত্রার সময় ডিজে বাজানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ট্রাফিক সামলাতে রাস্তায় নামানো হচ্ছে অতিরিক্ত বাহিনী। ঠিক হয়েছে, পরীক্ষা পর্ব মিটে যাওয়ার পর স্নানযাত্রা শুরু হবে। পুজো কমিটিগুলি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
Advertisement
শীতলা মায়ের স্নানযাত্রা উলেক্ষ্যে প্রতি বছরই এই দিনে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যায় ঘুসুড়ি, সালকিয়া সহ উত্তর হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। মূলত সালকিয়ার ক্ষেত্রমোহন মিত্র লেন, মুরগিহাটা, কালীতলা, সীতানাথ বোস লেন, জি টি রোড, অরবিন্দ রোড হয়ে বাঁধাঘাটের দিকে যায় স্নানযাত্রার শোভাযাত্রা। পাশাপাশি চামরাইল, জগদীশপুর, এমনকী হুগলির বেশকিছু এলাকা থেকেও বহু মানুষ স্নানযাত্রার জন্য ভিড় করেন উত্তর হাওড়ায়। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে এই বছর প্রায় ১৫০টি শীতলা মা পুজো কমিটি স্নানযাত্রায় অংশ নিচ্ছে। ফলে স্নানযাত্রাকে ঘিরে কয়েক লক্ষ মানুষের ঢল নামবে রাস্তায়। মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন হওয়ায় আগেভাগেই এদিনের জন্য একাধিক সতর্কতা নিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিস। স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে সব থেকে বেশি চাপ পড়ে গোলাবাড়ি ও মালিপাঁচঘড়া থানা এলাকার রাস্তায়। ইতিমধ্যেই পুজো সমন্বয় কমিটির সঙ্গে এই নিয়ে বৈঠক সেরেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, এবারের স্নানযাত্রায় ডিজে, সাউন্ড বক্স বাজানো পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেউ সাউন্ড বক্স ভাড়া দিলে সেগুলি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিস।
এদিন মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পর স্নানযাত্রা শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুজো কমিটিগুলি। মালিপাঁচঘড়া থানা উৎসব সমন্বয় কমিটির সদস্য বিমল দত্ত বলেন, ‘পরীক্ষা মিটে যাওয়ার পরেই স্নানযাত্রা শুরু হবে। পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবেই কোনও ধরনের বাদ্যযন্ত্র ও মাইক বাজানো যাবে না।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘অরবিন্দ রোডে পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। ওই এলাকা পুরোপুরি ফাঁকা রাখা হবে। জি টি রোড এবং সালকিয়া স্কুল রোডে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীদের জন্য টোটো চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। কয়েক হাজার পুলিস মোতায়েন থাকবে রাস্তায়।’ - নিজস্ব চিত্র
এদিন মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পর স্নানযাত্রা শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুজো কমিটিগুলি। মালিপাঁচঘড়া থানা উৎসব সমন্বয় কমিটির সদস্য বিমল দত্ত বলেন, ‘পরীক্ষা মিটে যাওয়ার পরেই স্নানযাত্রা শুরু হবে। পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবেই কোনও ধরনের বাদ্যযন্ত্র ও মাইক বাজানো যাবে না।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘অরবিন্দ রোডে পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। ওই এলাকা পুরোপুরি ফাঁকা রাখা হবে। জি টি রোড এবং সালকিয়া স্কুল রোডে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীদের জন্য টোটো চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। কয়েক হাজার পুলিস মোতায়েন থাকবে রাস্তায়।’ - নিজস্ব চিত্র



