Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ মহম্মদবাজারে স্বাস্থ্যদপ্তরের দুই শীর্ষকর্তা, খতিয়ে দেখবেন পরিকাঠামো

আজ, মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল বীরভূমে আসছে। জানা গিয়েছে, ডিরেক্টর অব হেল্থ সার্ভিসেস স্বপন সোরেন ও প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি নারায়ণ স্বরূপ নিগম প্রতিনিধি দলে থাকবেন। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, তাঁরা মূলত স্টাডি ভিজিটে আসছেন।

আজ মহম্মদবাজারে স্বাস্থ্যদপ্তরের দুই শীর্ষকর্তা, খতিয়ে দেখবেন পরিকাঠামো
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: আজ, মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল বীরভূমে আসছে। জানা গিয়েছে, ডিরেক্টর অব হেল্থ সার্ভিসেস স্বপন সোরেন ও প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি নারায়ণ স্বরূপ নিগম প্রতিনিধি দলে থাকবেন। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, তাঁরা মূলত স্টাডি ভিজিটে আসছেন। এদিনই তাঁদের মহম্মদবাজার ব্লকে যাওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তাঁরা সেখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার খোঁজখবর নেবেন। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রি আড়ি বলেন, রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রতিনিধি দল আসছেন। মহম্মদবাজার এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে।বলাবাহুল্য, ওই ব্লকেই এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ কয়লা ব্লক দেউচা পাচামির অবস্থান। ইতিমধ্যে সেখানে কয়লার উপরিভাগে থাকা ব্যাসল্ট তোলার কাজ শুরু হয়েছে। সেই কাজ অনেকটা গতিও পেয়েছে।  মনে করা হচ্ছে, সেখানে কয়লা তোলার কাজ শুরু হওয়ার আগেই ব্লকের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজা হবে। উন্নত চিকিত্সা পরিষেবাও চালু করা হতে পারে। 
Advertisement
গোটা রাজ্যের পাশাপাশি বীরভূম জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোও সাম্প্রতিক অতীতে সেজে উঠেছে। জেলায় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল রয়েছে। যদিও ট্রমা কেয়ার ইউনিট নেই। যা জেলার স্বাস্থ্য কর্তাদের চিন্তার বিষয়। ট্রমা কেয়ার ইউনিট না থাকায় বীরভূমকে পার্শ্ববর্তী জেলার ওপর নির্ভর করে থাকতে হয়। তবে এবার বীরভূম জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঢেলে সাজা হতে পারে। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রতিনিধি দলের আগমন অবশ্য সেই বিষয়টিই ইঙ্গিত করছে। পরিদর্শন পর্বে তাঁরা কোথায় কোথায় যাবেন সে বিষয়ে সরকারি তথ্য কিছু পাওয়া যায়নি। যদিও বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মহম্মদবাজার ব্লক পরিদর্শন করবেন। সেখানকার চিকিত্সা পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে পারেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতীতে আর কী কী করণীয় তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।    
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকেই দেউচা-পাচামিতে কাজ শুরু হয়েছে। চাঁদা মৌজায় ১২ একর সরকারি জমিতে খনন কাজ চলছে। ব্যাসল্ট তোলার পরই আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিংয়ের মাধ্যমে কয়লা তোলার কাজ শুরু করা হবে। জেলা প্রশাসন ও পিডিসিএলের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, খনি এলাকার কাজে স্থানীয়রাই অগ্রাধিকার পাবেন। ইতিমধ্যে স্থানীয় ২৫ জন চুক্তির ভিত্তিতে কাজ পেয়েছেন। সেই সংখ্যা ক্রমশ বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে ওই এলাকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঢেলে সাজানোর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে খনি সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সহ সেখানে কাজ করা শ্রমিকদের উন্নত চিকিত্সা পরিষেবা দিতেই এই উদ্যোগ। এদিকে দেউচা পাচামিতে খনন কাজ শুরু হতেই স্থানীয়দের তরফে স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছিল, স্থানীয়দের তরফে সেই দাবি জানানো হলে গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে। মনে করা হচ্ছে, স্থানীয়দের সেই দাবি হয়তো আগামীতে পূর্ণতা পেতে পারে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ